০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ফোর মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি

বিগত চার মাসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এই অংকের মধ্যে প্রথম চালানটি ২১ আগস্ট নয়টি ট্রাকে এসে পৌঁছায়, যেখানে ছিল ৩১৫ মেট্রিক টন। এরপর থেকে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ধারাবাহিকভাবে চালানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ২১ আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মোট ১৪৫টি চালানের মাধ্যমে প্রায় ৩৯৫টি ট্রাকে করে এই চালনি হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ সরকার চালের বাজারের অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে দেশের সব বন্দর থেকেই চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ২১ আগস্ট বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের থেকে চাল আমদানির সূচনা হয়। মাস ভিত্তিক পরিমাণে বিগত মাসগুলোতে চালের আমদানি ছিল: আগস্টে ১২৬০ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বর ৫৪৩৫ মেট্রিক টন, অক্টোবর ৫১৮৮ মেট্রিক টন এবং নভেম্বরের প্রথম অংশে ১৬৪৫ মেট্রিক টন। এ সব চালের ছাড়ের জন্য বন্দরের কাস্টমসের সঙ্গে কাজ করছে চার থেকে পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, যারা চালের খালাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

বেনাপোল কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা জানান, চাল আমদানির কাজ শুরু থেকে তাদের সক্রিয়ভাবে চালের ছাড়করণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আবারও ভারত থেকে চাল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ২১ আগস্ট থেকে। সেই সঙ্গে বেনাপোল আমদানির রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, চালের আমদানির এই ধারা নতুন নয়, গত কয়েক বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলমান। তবে বর্তমানে আমদানি কমে আসায় বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, চলতি বছর ১৫ এপ্রিল সর্বশেষ চাল আমদানি হয়। এরপর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে আবারও চাল আমদানির কাজ শুরু হয় ২১ আগস্ট থেকে। বর্তমানে যদি আমদানি ধীর হয়ে যায়, তবুও তেমন কোনো সমস্যা হবে না বলে তিনি মনে করেন। কৃষকরা সম্প্রতি ধান কাটা শুরু করেছে। এতে বাজারে ধানের আগমন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চালের দাম কমতে পারে এবং দেশের খাদ্য সংকটও কিছুটা কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

অপরদিকে, বেনাপোল উদ্ভিদসংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, চার মাসে ভারত থেকে ১৪৫টি চালানে ৩৯৫টি ট্রাকের মাধ্যমে এই চালগুলো আসছে। আমদানি করা চালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুত কাস্টমসের মাধ্যমে খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ফোর মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বিগত চার মাসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে মোট ১৩ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এই অংকের মধ্যে প্রথম চালানটি ২১ আগস্ট নয়টি ট্রাকে এসে পৌঁছায়, যেখানে ছিল ৩১৫ মেট্রিক টন। এরপর থেকে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ধারাবাহিকভাবে চালানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ২১ আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মোট ১৪৫টি চালানের মাধ্যমে প্রায় ৩৯৫টি ট্রাকে করে এই চালনি হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ সরকার চালের বাজারের অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে দেশের সব বন্দর থেকেই চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ২১ আগস্ট বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের থেকে চাল আমদানির সূচনা হয়। মাস ভিত্তিক পরিমাণে বিগত মাসগুলোতে চালের আমদানি ছিল: আগস্টে ১২৬০ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বর ৫৪৩৫ মেট্রিক টন, অক্টোবর ৫১৮৮ মেট্রিক টন এবং নভেম্বরের প্রথম অংশে ১৬৪৫ মেট্রিক টন। এ সব চালের ছাড়ের জন্য বন্দরের কাস্টমসের সঙ্গে কাজ করছে চার থেকে পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, যারা চালের খালাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

বেনাপোল কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা জানান, চাল আমদানির কাজ শুরু থেকে তাদের সক্রিয়ভাবে চালের ছাড়করণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আবারও ভারত থেকে চাল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ২১ আগস্ট থেকে। সেই সঙ্গে বেনাপোল আমদানির রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, চালের আমদানির এই ধারা নতুন নয়, গত কয়েক বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলমান। তবে বর্তমানে আমদানি কমে আসায় বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, চলতি বছর ১৫ এপ্রিল সর্বশেষ চাল আমদানি হয়। এরপর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে আবারও চাল আমদানির কাজ শুরু হয় ২১ আগস্ট থেকে। বর্তমানে যদি আমদানি ধীর হয়ে যায়, তবুও তেমন কোনো সমস্যা হবে না বলে তিনি মনে করেন। কৃষকরা সম্প্রতি ধান কাটা শুরু করেছে। এতে বাজারে ধানের আগমন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চালের দাম কমতে পারে এবং দেশের খাদ্য সংকটও কিছুটা কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

অপরদিকে, বেনাপোল উদ্ভিদসংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, চার মাসে ভারত থেকে ১৪৫টি চালানে ৩৯৫টি ট্রাকের মাধ্যমে এই চালগুলো আসছে। আমদানি করা চালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুত কাস্টমসের মাধ্যমে খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।