০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।