১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।