০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

পিএসজির কাছে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি এ Mbappé

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েন এখন গম্ভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চলেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় আইনি লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এমবাপ্পে অভিযোগ করেছেন, তার চুক্তি অস্থায়ী না করে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করার কথা ছিল। সেই কারণে তিনি দাবি করেন ২৬০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। এই দাবির মধ্যে রয়েছে অবেতনিক বেতন, বোনাস, চাকরি থেকে অব্যাহতির ক্ষতিপূরণ, অনৈতিক বরখাস্তের অভিযোগ এবং মানসিক চাপের কারণে ক্ষতি।

এদিকে, এমবাপ্পে এর আগে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর বকেয়া পাওনার দাবি করেছিলেন, যা তার বর্তমান দাবি তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, পিএসজির দাবি আরও বড় অঙ্কের— ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ২৪০ কোটি। ক্লাবটির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:

– ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যাওয়ায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হারানো
– আল হিললের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
– চুক্তিভঙ্গ ও অসৎ আচরণ
– ক্লাবের মানসম্মত reputation ক্ষুণ্ণ করা

পিএসজির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এমবাপ্পে প্রায় ১১ মাস ধরে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত গোপন রেখেছিলেন, যার কারণে তারা ট্রান্সফার সুযোগ হারায়। এছাড়াও, ২০২৩ সালের শেষ দিকে বেতন কমানোর চুক্তিও এমবাপ্পে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, এমবাপ্পে শুধু তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান। তারা আরো জানান, পিএসজির ‘লফটিং’ বা ছিটকে দেয়ার পদ্ধতিটি একটি নৈতিক হয়রানি হিসেবে বিবেচিত।

২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি নবায়ন না করার জন্য এমবাপ্পেকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। পরে আলোচনা সত্ত্বেও তিনি দলে ফিরে আসলেও সম্পর্কের অবনতি হয়। অবশেষে, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে তিনি ফ্রিতে ট্রান্সফারে পিএসজিকে ছাড়েন এবং রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। সাত বছরের সময়কালে ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫৬ গোল করেন, তবে তার বিদায় অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা তিক্ত।

এটি একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলা, যা এখন ফরাসি আদালতে বিচারাধীন। অচিরেই হয়ত আগামী মাসের মধ্যে এই মামলার রায় জানানো হতে পারে।