০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রাষ্ট্রের ৩৩২ কোটি টাকার ক্ষতি: দুদকের অনুসন্ধান শুরু

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখন তদন্ত শুরু করেছে রাষ্ট্রের প্রায় ৩৩২ কোটি টাকার ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয়ে। এই অভিযোগে উঠে এসেছে যে, পুরান ঢাকার হৃষিকেশ দাস রোডের ঐতিহ্যবাহী ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কেনার জন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে। এই ঘটনা এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল সাংবাদিকদের জানান, যারা এই লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কমিশন। তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও নথি বিশ্লেষণ করে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।’

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কিনে নেওয়ার ফলে রাষ্ট্রের এই বড় ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগের অনুসন্ধানে প্রথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

২০১৮ সালে, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এই ব্যক্তিমালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কিনে নেয়। এর জন্য সরকারের প্রায় ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ ২ হাজার ৯০০ টাকা খরচ হয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকেও এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়, যেখানে এই ভবনটি অধিগ্রহণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই ভবনটির গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। এটি এর আগে ১৯৩১ সালে হৃষিকেশ দাস নামে এক ব্যবসায়ী নির্মাণ করেন এবং তার চারপাশে ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে আনা দুর্লভ প্রজাতির গোলাপের বাগান। সাম student যাওয়ার পথে নাম হয় ‘রোজ গার্ডেন’। ১৯৩৬ সালে এই সম্পত্তি বিক্রি হয় ঢাকা শহরের বিখ্যাত বই ব্যবসায়ী খান বাহাদুর মৌলভী কাজী আবদুর রশীদের কাছে। তিনি সেখানে প্রভিন্সিয়াল লাইব্রেরি স্থাপন করেন।

অপরদিকে, ১৯৪৯ সালে এই ‘রোজ গার্ডেন’ המקוםেই গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, যা পরে হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। এই ঐতিহাসিক ভবনটির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তবে, সম্প্রতি ঘটনা জানানো হয় যে, এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি ২০১৮ সালে সরকার কর্তৃক কিনে নেওয়ার পর থেকে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, এই কেনাকাটায় লক্ষাধিক টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে, যা তদন্তের বিষয়। এখন দুদক এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রাষ্ট্রের ৩৩২ কোটি টাকার ক্ষতি: দুদকের অনুসন্ধান শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখন তদন্ত শুরু করেছে রাষ্ট্রের প্রায় ৩৩২ কোটি টাকার ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয়ে। এই অভিযোগে উঠে এসেছে যে, পুরান ঢাকার হৃষিকেশ দাস রোডের ঐতিহ্যবাহী ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কেনার জন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে। এই ঘটনা এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল সাংবাদিকদের জানান, যারা এই লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কমিশন। তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও নথি বিশ্লেষণ করে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।’

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কিনে নেওয়ার ফলে রাষ্ট্রের এই বড় ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগের অনুসন্ধানে প্রথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

২০১৮ সালে, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এই ব্যক্তিমালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী ‘রোজ গার্ডেন’ ভবনটি কিনে নেয়। এর জন্য সরকারের প্রায় ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ ২ হাজার ৯০০ টাকা খরচ হয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকেও এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়, যেখানে এই ভবনটি অধিগ্রহণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই ভবনটির গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। এটি এর আগে ১৯৩১ সালে হৃষিকেশ দাস নামে এক ব্যবসায়ী নির্মাণ করেন এবং তার চারপাশে ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে আনা দুর্লভ প্রজাতির গোলাপের বাগান। সাম student যাওয়ার পথে নাম হয় ‘রোজ গার্ডেন’। ১৯৩৬ সালে এই সম্পত্তি বিক্রি হয় ঢাকা শহরের বিখ্যাত বই ব্যবসায়ী খান বাহাদুর মৌলভী কাজী আবদুর রশীদের কাছে। তিনি সেখানে প্রভিন্সিয়াল লাইব্রেরি স্থাপন করেন।

অপরদিকে, ১৯৪৯ সালে এই ‘রোজ গার্ডেন’ המקוםেই গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, যা পরে হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। এই ঐতিহাসিক ভবনটির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তবে, সম্প্রতি ঘটনা জানানো হয় যে, এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি ২০১৮ সালে সরকার কর্তৃক কিনে নেওয়ার পর থেকে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, এই কেনাকাটায় লক্ষাধিক টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে, যা তদন্তের বিষয়। এখন দুদক এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।