০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শেরপুরে নির্বাচনী এজেন্ট পেটানোর অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ

শেরপুরে জামায়াতের কর্মীদের হামলায় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট গিয়াস উদ্দিন রাসেলকে পেটানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো জেলা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। মিছিলটি মাই সাহেবা জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) গেটে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম শহিদুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল আলম শিপন, জেলা বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম আঙ্গুর, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বিএসসি, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুরাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করছে। তারা বলেন, সাম্প্রতিককালে গিয়াস উদ্দিন রাসেলের ওপর যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের পর থেকে অন্তত ১০-১৫টি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে; কারও রগ কাটা হয়েছে, একজন শ্রমিকের পা ভাঙা হয়েছে—তবুও এখন পর্যন্ত কেউ গৃহবন্দি হয়নি বা গ্রেপ্তার হয়নি বলে তারা জানিয়েছে।

বক্তারা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

শেরপুরে নির্বাচনী এজেন্ট পেটানোর অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ১১:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে জামায়াতের কর্মীদের হামলায় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট গিয়াস উদ্দিন রাসেলকে পেটানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো জেলা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। মিছিলটি মাই সাহেবা জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) গেটে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম শহিদুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল আলম শিপন, জেলা বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম আঙ্গুর, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বিএসসি, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুরাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করছে। তারা বলেন, সাম্প্রতিককালে গিয়াস উদ্দিন রাসেলের ওপর যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের পর থেকে অন্তত ১০-১৫টি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে; কারও রগ কাটা হয়েছে, একজন শ্রমিকের পা ভাঙা হয়েছে—তবুও এখন পর্যন্ত কেউ গৃহবন্দি হয়নি বা গ্রেপ্তার হয়নি বলে তারা জানিয়েছে।

বক্তারা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করা হয়।