১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জনআকাংক্ষা পূরণে প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা: বাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান না হলে গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজিত হবে: মির্জা ফখরুল বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনকে সরকারি অব্যাহতি ১০ জনকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিযুক্ত তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী: গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের শুভসূচনা আনসার-ভিডিপি ও SREDA’র সমঝোতা: টেকসই জ্বালানি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ববণ্টন: কে কোথায় পেলেন দায়িত্ব? ২৪ প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলেন — নতুন অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের যাত্রা শুরু

শেরপুরে নির্বাচনী এজেন্ট পেটানোর অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ

শেরপুরে জামায়াতের কর্মীদের হামলায় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট গিয়াস উদ্দিন রাসেলকে পেটানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো জেলা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। মিছিলটি মাই সাহেবা জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) গেটে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম শহিদুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল আলম শিপন, জেলা বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম আঙ্গুর, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বিএসসি, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুরাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করছে। তারা বলেন, সাম্প্রতিককালে গিয়াস উদ্দিন রাসেলের ওপর যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের পর থেকে অন্তত ১০-১৫টি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে; কারও রগ কাটা হয়েছে, একজন শ্রমিকের পা ভাঙা হয়েছে—তবুও এখন পর্যন্ত কেউ গৃহবন্দি হয়নি বা গ্রেপ্তার হয়নি বলে তারা জানিয়েছে।

বক্তারা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জনআকাংক্ষা পূরণে প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

শেরপুরে নির্বাচনী এজেন্ট পেটানোর অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ১১:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে জামায়াতের কর্মীদের হামলায় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট গিয়াস উদ্দিন রাসেলকে পেটানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো জেলা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। মিছিলটি মাই সাহেবা জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) গেটে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম শহিদুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল আলম শিপন, জেলা বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম আঙ্গুর, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বিএসসি, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুরাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করছে। তারা বলেন, সাম্প্রতিককালে গিয়াস উদ্দিন রাসেলের ওপর যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের পর থেকে অন্তত ১০-১৫টি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে; কারও রগ কাটা হয়েছে, একজন শ্রমিকের পা ভাঙা হয়েছে—তবুও এখন পর্যন্ত কেউ গৃহবন্দি হয়নি বা গ্রেপ্তার হয়নি বলে তারা জানিয়েছে।

বক্তারা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করা হয়।