১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

নব আঙ্গিকে ফেরছে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

সত্তরের দশকের জনপ্রিয় নারী গোয়েন্দা কাহিনী ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ আবারও বড় পর্দায় ফিরছে—কম্পানি সূত্রে জানা গেছে। বিনোদন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’ উল্লেখ করেছে, দীর্ঘ ছয় বছরের বিরতির পর সনি পিকচার্স এই ক্লাসিক ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

২০১৯ সালের ছবিটি ব্যবসা ও সমালোচনায় পুরোপুরি সফল না হলেও, থ্রিলার ধরনের প্রতি দর্শকের আগ্রহ ও ফ্র্যাঞ্চাইজির নস্টালজিয়া বিবেচনায় নিয়েই স্টুডিওটি এই বড় প্রজেক্ট ধরছে। এবার সিরিজটিকে আরও আধুনিক, চমকপ্রদ ও তীক্ষ্ণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লেখক পিট কিয়ারেলির কাঁধে—যিনি ‘দ্য প্রোপোজাল’ ও ‘ক্রেজি রিচ এশিয়ানস’–এর মতো সফল কাজের জন্য পরিচিত। বিশ্লেষকদের আশা, কিয়ারেলির কলমে আগের চিত্রনাট্যের তুলনায় এবার গল্পটি সমসাময়িক প্রসঙ্গের সঙ্গে আরও যুক্তিসঙ্গত ও আকর্ষণীয় হবে।

সনি পিকচার্স মূলত অভিজ্ঞ লেখক ও নির্মাতাদের ওপরই ভর করে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মর্যাদা প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা করলেও, এখনও নির্বাহী প্রযোজক ও প্রধান কলাকুশলীদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। গুঞ্জন আছে যে ২০০০ সালের সফল চলচ্চিত্র সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ড্রু ব্যারিমোর এবং তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাওয়ার ফিল্মস’ নতুন প্রজেক্টে যুক্ত হতে পারেন। ড্রু ব্যারিমোরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে সেটি দর্শকদের আগ্রহ ও নস্টালজিয়াকে ত্বরান্বিত করবে—তবে সনি বা ব্যারিমোর উভয়ের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত বিবৃতি এখনও প্রকাশিত হয়নি।

উল্লেখ্য, ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে একটি টিভি সিরিজ থেকে, যা ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল। জ্যাক্লিন স্মিথ, কেট জনসন ও ফারাহ ফসেটের মতো তারকারা তখনকার সময় দর্শকদের মন জয় করেছিলেন। পরে ২০০০ ও ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র দুটি বক্স অফিসে বড় সাফল্য দেখায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ের পুনরায় চেষ্টাগুলো সবসময় মতো সফল হয়নি—২০১১ সালের টিভি রিবুটটি সাত পর্বেই বন্ধ হয়ে যায় এবং ২০১৯ সালের এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস পরিচালিত ছবিও দর্শক আকর্ষণে ব্যর্থ হয়।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন এই উদ্যোগ হলিউডে পুনরায় আলোড়ন তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, পিট কিয়ারেলির হাতে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ কি আগের জাদু ফিরে পাবে, নাকি এই নতুন রূপ দর্শকদের কাছে আলাদা কোনো অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নব আঙ্গিকে ফেরছে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

প্রকাশিতঃ ০৩:২১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সত্তরের দশকের জনপ্রিয় নারী গোয়েন্দা কাহিনী ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ আবারও বড় পর্দায় ফিরছে—কম্পানি সূত্রে জানা গেছে। বিনোদন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’ উল্লেখ করেছে, দীর্ঘ ছয় বছরের বিরতির পর সনি পিকচার্স এই ক্লাসিক ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

২০১৯ সালের ছবিটি ব্যবসা ও সমালোচনায় পুরোপুরি সফল না হলেও, থ্রিলার ধরনের প্রতি দর্শকের আগ্রহ ও ফ্র্যাঞ্চাইজির নস্টালজিয়া বিবেচনায় নিয়েই স্টুডিওটি এই বড় প্রজেক্ট ধরছে। এবার সিরিজটিকে আরও আধুনিক, চমকপ্রদ ও তীক্ষ্ণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লেখক পিট কিয়ারেলির কাঁধে—যিনি ‘দ্য প্রোপোজাল’ ও ‘ক্রেজি রিচ এশিয়ানস’–এর মতো সফল কাজের জন্য পরিচিত। বিশ্লেষকদের আশা, কিয়ারেলির কলমে আগের চিত্রনাট্যের তুলনায় এবার গল্পটি সমসাময়িক প্রসঙ্গের সঙ্গে আরও যুক্তিসঙ্গত ও আকর্ষণীয় হবে।

সনি পিকচার্স মূলত অভিজ্ঞ লেখক ও নির্মাতাদের ওপরই ভর করে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মর্যাদা প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা করলেও, এখনও নির্বাহী প্রযোজক ও প্রধান কলাকুশলীদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। গুঞ্জন আছে যে ২০০০ সালের সফল চলচ্চিত্র সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ড্রু ব্যারিমোর এবং তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাওয়ার ফিল্মস’ নতুন প্রজেক্টে যুক্ত হতে পারেন। ড্রু ব্যারিমোরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে সেটি দর্শকদের আগ্রহ ও নস্টালজিয়াকে ত্বরান্বিত করবে—তবে সনি বা ব্যারিমোর উভয়ের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত বিবৃতি এখনও প্রকাশিত হয়নি।

উল্লেখ্য, ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে একটি টিভি সিরিজ থেকে, যা ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল। জ্যাক্লিন স্মিথ, কেট জনসন ও ফারাহ ফসেটের মতো তারকারা তখনকার সময় দর্শকদের মন জয় করেছিলেন। পরে ২০০০ ও ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র দুটি বক্স অফিসে বড় সাফল্য দেখায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ের পুনরায় চেষ্টাগুলো সবসময় মতো সফল হয়নি—২০১১ সালের টিভি রিবুটটি সাত পর্বেই বন্ধ হয়ে যায় এবং ২০১৯ সালের এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস পরিচালিত ছবিও দর্শক আকর্ষণে ব্যর্থ হয়।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন এই উদ্যোগ হলিউডে পুনরায় আলোড়ন তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, পিট কিয়ারেলির হাতে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ কি আগের জাদু ফিরে পাবে, নাকি এই নতুন রূপ দর্শকদের কাছে আলাদা কোনো অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করবে।