০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

ঝিনাইদহে নিহত কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে সংঘর্ষে আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিএনপি বিক্ষোভ ও মিছিল করেছে। ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ আনতেই জেলা বিএনপি সদস্যরা দুপুর ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, দলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী এবং নিহতের স্বজনরা বক্তব্য দেন ও বিচার দাবি করেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ অভিযোগ করেন, ‘জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে। তার মাথায় বাশ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে; সেটিই তার মৃত্যুর কারণ।’ তিনি এই হত্যার ন্যায়বিচারের দাবি করেন।

অপর দিকে জেলা জামায়াত বৃহস্পতিবারের ঘটনার সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে জড়িত থাকা-না-থাকার দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, তরু মুন্সীর মৃত্যু স্ট্রোকজনিত কারণে হয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মাধবপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল ছিল। সেখানে বিএনপির লোকজন গিয়ে নারীদের মারধর ও শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে, ফলে স্থানীয় জামায়াত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ঘটে। এতে উত্তেজনায় তরু মুন্সী স্ট্রোক করেন এবং পরে মারা যান।’ তিনি এই মৃত্যুকে মিথ্যায় রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এবং নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুরের কথা উল্লেখ করেন।

ঘটনার পটভূমিতে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার সকালে মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল। দুপুরে ওই ইফতারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নারী কর্মীদের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা ধীরে ধীরে পারিবারিক সদস্যদের এবং স্থানীয়দের সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ মিলিয়ে অন্তত আট জন আহত হন; তাদের গুরুতর অবস্থার নিচে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়, সেখানে রাত সাড়ে আটটায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তরু মুন্সী ছিলেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন দাবি-অভিযোগ তদন্তে পুলিশের কোনো বিবৃতি এখনও পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঝিনাইদহে নিহত কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে সংঘর্ষে আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিএনপি বিক্ষোভ ও মিছিল করেছে। ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ আনতেই জেলা বিএনপি সদস্যরা দুপুর ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, দলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী এবং নিহতের স্বজনরা বক্তব্য দেন ও বিচার দাবি করেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ অভিযোগ করেন, ‘জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে। তার মাথায় বাশ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে; সেটিই তার মৃত্যুর কারণ।’ তিনি এই হত্যার ন্যায়বিচারের দাবি করেন।

অপর দিকে জেলা জামায়াত বৃহস্পতিবারের ঘটনার সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে জড়িত থাকা-না-থাকার দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, তরু মুন্সীর মৃত্যু স্ট্রোকজনিত কারণে হয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মাধবপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল ছিল। সেখানে বিএনপির লোকজন গিয়ে নারীদের মারধর ও শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে, ফলে স্থানীয় জামায়াত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ঘটে। এতে উত্তেজনায় তরু মুন্সী স্ট্রোক করেন এবং পরে মারা যান।’ তিনি এই মৃত্যুকে মিথ্যায় রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এবং নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুরের কথা উল্লেখ করেন।

ঘটনার পটভূমিতে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার সকালে মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল। দুপুরে ওই ইফতারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নারী কর্মীদের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা ধীরে ধীরে পারিবারিক সদস্যদের এবং স্থানীয়দের সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ মিলিয়ে অন্তত আট জন আহত হন; তাদের গুরুতর অবস্থার নিচে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়, সেখানে রাত সাড়ে আটটায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তরু মুন্সী ছিলেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন দাবি-অভিযোগ তদন্তে পুলিশের কোনো বিবৃতি এখনও পাওয়া যায়নি।