০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মহিলা পরিষদের প্রতিবেদনে: এপ্রিলে ৫৮ জন ধর্ষণ, ৫৭ জন হত্যা

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কন্যা ৮৭ জন ও নারী ১৩৩ জন–মিলিয়ে মোট ২২০ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ধর্ষণ, হত্যা ও বিভিন্ন ধরনের যৌন ও বিদ্বেষমূলক নির্যাতনসহ নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মোট ৫৮ জন—এদের মধ্যে ৩২ জন কন্যা এবং ২৬ জন নারী। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮ জন কন্যাসহ মোট ১৭ জন। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন কন্যাসহ মোট ৩ জন।

যৌন সহিংসতার অন্যান্য ধরনও উল্লেখ করা হয়েছে। ধর্ষণ-চেষ্টার শিকার হয়েছেন ১১ জন কন্যাসহ মোট ১২ জন। যৌন সহিংসতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন কন্যাসহ মোট ১৬ জন; এর মধ্যে ৩ জন কন্যাসহ ৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার, ১ জন কন্যাসহ ৩ জন উত্ত্যক্তকরণের শিকার এবং সাইবার সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২ জন কন্যাসহ ৫ জন।

হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন কারণে ১৬ জন কন্যা ও ৪১ জন নারী—মোট ৫৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে ৪ জন কন্যা ও ১৫ জন নারীসহ মোট ১৯ জনের। অগ্নিদগ্ধবিষয়ক ঘটনায় দুইজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ জন; তাদের মধ্যে ২ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ আছে। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ জন। গৃহকর্মী সম্পর্কিত ঘটনায় ১ জন কন্যাসহ মোট ২ জন গৃহকর্মী নির্যাতিত হয়েছেন এবং একইভাবে ১ জন কন্যাসহ ২ জন গৃহকর্মী হত্যার শিকার হয়েছেন।

আত্মহত্যার ঘটনায় ৪ জন কন্যাসহ মোট ১৩ জন মারা গেছেন; এদের মধ্যে ২ জন কন্যাকে আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার বলা হয়েছে। অপহরণের চেষ্টার ঘটনার শিকার হয়েছেন ৫ জন কন্যাসহ মোট ৬ জন; পাশাপাশি আলাদা করে আরও ৩ জন কন্যা অপহরণের চেষ্টার শিকার হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১ জন কন্যাসহ মোট ১৪ জন। এ ছাড়া আরও ৭জন বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মহিলা পরিষদের প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো তুলে ধরে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং এসব বর্বর অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মহিলা পরিষদের প্রতিবেদনে: এপ্রিলে ৫৮ জন ধর্ষণ, ৫৭ জন হত্যা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কন্যা ৮৭ জন ও নারী ১৩৩ জন–মিলিয়ে মোট ২২০ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ধর্ষণ, হত্যা ও বিভিন্ন ধরনের যৌন ও বিদ্বেষমূলক নির্যাতনসহ নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মোট ৫৮ জন—এদের মধ্যে ৩২ জন কন্যা এবং ২৬ জন নারী। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮ জন কন্যাসহ মোট ১৭ জন। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন কন্যাসহ মোট ৩ জন।

যৌন সহিংসতার অন্যান্য ধরনও উল্লেখ করা হয়েছে। ধর্ষণ-চেষ্টার শিকার হয়েছেন ১১ জন কন্যাসহ মোট ১২ জন। যৌন সহিংসতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন কন্যাসহ মোট ১৬ জন; এর মধ্যে ৩ জন কন্যাসহ ৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার, ১ জন কন্যাসহ ৩ জন উত্ত্যক্তকরণের শিকার এবং সাইবার সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২ জন কন্যাসহ ৫ জন।

হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন কারণে ১৬ জন কন্যা ও ৪১ জন নারী—মোট ৫৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে ৪ জন কন্যা ও ১৫ জন নারীসহ মোট ১৯ জনের। অগ্নিদগ্ধবিষয়ক ঘটনায় দুইজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ জন; তাদের মধ্যে ২ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ আছে। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ জন। গৃহকর্মী সম্পর্কিত ঘটনায় ১ জন কন্যাসহ মোট ২ জন গৃহকর্মী নির্যাতিত হয়েছেন এবং একইভাবে ১ জন কন্যাসহ ২ জন গৃহকর্মী হত্যার শিকার হয়েছেন।

আত্মহত্যার ঘটনায় ৪ জন কন্যাসহ মোট ১৩ জন মারা গেছেন; এদের মধ্যে ২ জন কন্যাকে আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার বলা হয়েছে। অপহরণের চেষ্টার ঘটনার শিকার হয়েছেন ৫ জন কন্যাসহ মোট ৬ জন; পাশাপাশি আলাদা করে আরও ৩ জন কন্যা অপহরণের চেষ্টার শিকার হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১ জন কন্যাসহ মোট ১৪ জন। এ ছাড়া আরও ৭জন বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মহিলা পরিষদের প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো তুলে ধরে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং এসব বর্বর অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।