০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ভুয়া ‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো’ প্রকল্পে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) ভুয়া বিনিয়োগ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে; অভিযোগ, ‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো প্রজেক্ট’ নামের প্রজেক্টে সাধারণ মানুষ থেকে মোটামুটি প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিটের একটি টিম ঢাকা-র সবুজবাগ থানা এলাকার বাসাবো থেকে মো. ওবায়দুল্লাহ (৩৩) নামের সন্দেহভাজনকে আটক করে বলে সিআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।

তদন্তে পাওয়া তথ্যমতে, প্রতারক চক্রটি উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করত। তারা দাবি করত যে একটি লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে মাসে তিন হাজার টাকা মুনাফা পাওয়া যাবে এবং ৩৩ মাসের মধ্যে মূলধন দ্বিগুণ করা সম্ভব। এছাড়া ভুক্তভোগীদের বড় অংকের বিনিয়োগ এবং প্লট কেনার জন্যও জোর চাপ দেওয়া হতো।

সিআইডি সূত্র জানায়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রিসিপ্ট ও সার্ভার ডেটা বিশ্লেষণের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন এবং মোট ক্ষতিপূরণ আনুমানিক ৪০০ কোটি টাকার মতো।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত একা নয়; তিনি অন্তত ১৪টি ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রায় ২.৫ কোটি টাকার লেনদেন পরিচালনা করেছেন। বিপুল অর্থ সংগ্রহের পর প্রতারকরা তাদের অফিস বন্ধ করে দিয়ে গা ঢাকা দেয়।

সিআইডি বলেছে যে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ওবায়দুল্লাহকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রতারণা চক্রের বাকি সদস্যদের ধাওয়া ও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে যে, যে কোনো বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, লাইসেন্স ও আর্থিক ডকুমেন্ট যাচাই করা উচিত এবং অতি উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিলে সন্দেহ করে দেখা দরকার। বিনিয়োগে সজাগ ও সচেতন থাকা সকলের জন্য জরুরি বলে সিআইডি মনে করিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ভুয়া ‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো’ প্রকল্পে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) ভুয়া বিনিয়োগ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে; অভিযোগ, ‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো প্রজেক্ট’ নামের প্রজেক্টে সাধারণ মানুষ থেকে মোটামুটি প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিটের একটি টিম ঢাকা-র সবুজবাগ থানা এলাকার বাসাবো থেকে মো. ওবায়দুল্লাহ (৩৩) নামের সন্দেহভাজনকে আটক করে বলে সিআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।

তদন্তে পাওয়া তথ্যমতে, প্রতারক চক্রটি উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করত। তারা দাবি করত যে একটি লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে মাসে তিন হাজার টাকা মুনাফা পাওয়া যাবে এবং ৩৩ মাসের মধ্যে মূলধন দ্বিগুণ করা সম্ভব। এছাড়া ভুক্তভোগীদের বড় অংকের বিনিয়োগ এবং প্লট কেনার জন্যও জোর চাপ দেওয়া হতো।

সিআইডি সূত্র জানায়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রিসিপ্ট ও সার্ভার ডেটা বিশ্লেষণের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন এবং মোট ক্ষতিপূরণ আনুমানিক ৪০০ কোটি টাকার মতো।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত একা নয়; তিনি অন্তত ১৪টি ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রায় ২.৫ কোটি টাকার লেনদেন পরিচালনা করেছেন। বিপুল অর্থ সংগ্রহের পর প্রতারকরা তাদের অফিস বন্ধ করে দিয়ে গা ঢাকা দেয়।

সিআইডি বলেছে যে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ওবায়দুল্লাহকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রতারণা চক্রের বাকি সদস্যদের ধাওয়া ও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে যে, যে কোনো বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, লাইসেন্স ও আর্থিক ডকুমেন্ট যাচাই করা উচিত এবং অতি উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিলে সন্দেহ করে দেখা দরকার। বিনিয়োগে সজাগ ও সচেতন থাকা সকলের জন্য জরুরি বলে সিআইডি মনে করিয়েছে।