০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গ্রাফিতি বিরোধে উত্তেজনা: জিইসি থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

গ্রাফিতি ইস্যুকে কেন্দ্র করে এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) নগরের জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সিএমপি সোমবার সকালেই এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সিদ্ধান্তটি জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে এবং নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) টাইগারপাস অফিসসংলগ্ন এলাকায় গ্রাফিতি সংক্রান্ত ঘোষণার পর। চসিক মেয়রের মিডিয়া সেল থেকে টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার সড়কে গ্রাফিতি আঁকার কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে একই সময় একই স্থানে ‘জুলাইযোদ্ধা’ ব্যানারে এনসিপি-সমর্থিত আরেকটি গ্রুপও গ্রাফিতি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয় এবং উত্তেজনা বাড়ে।

এ সময় ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের একটি পিলারে স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্নের ওপর সাদা ও হলুদ রং লাগানোর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনসিপি অভিযোগ করে বলেন, আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে চসিক দাবি করে, কোনো গ্রাফিতি অপসারণ করা হয়নি; কেবল কিছু পোস্টার সরানো হয়েছে।

পরবর্তীতে এনসিপির নেতা-কর্মীরা চসিক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে এবং পুনরায় গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করলে বিএনপিসহ বিরোধী অন্যান্য গ্রুপও সেখানে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষ মুখোমুখি হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।

নিরাপত্তাজনিত প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ ঠেকাতে সিএমপি জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত এলাকায় সভা–সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। পুলিশ পাশাপাশি সবাইকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে এবং নির্দেশ অমান্য করলে আইনি কর্মवाही হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গ্রাফিতি বিরোধে উত্তেজনা: জিইসি থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

গ্রাফিতি ইস্যুকে কেন্দ্র করে এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) নগরের জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সিএমপি সোমবার সকালেই এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সিদ্ধান্তটি জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে এবং নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) টাইগারপাস অফিসসংলগ্ন এলাকায় গ্রাফিতি সংক্রান্ত ঘোষণার পর। চসিক মেয়রের মিডিয়া সেল থেকে টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার সড়কে গ্রাফিতি আঁকার কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে একই সময় একই স্থানে ‘জুলাইযোদ্ধা’ ব্যানারে এনসিপি-সমর্থিত আরেকটি গ্রুপও গ্রাফিতি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয় এবং উত্তেজনা বাড়ে।

এ সময় ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের একটি পিলারে স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্নের ওপর সাদা ও হলুদ রং লাগানোর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনসিপি অভিযোগ করে বলেন, আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে চসিক দাবি করে, কোনো গ্রাফিতি অপসারণ করা হয়নি; কেবল কিছু পোস্টার সরানো হয়েছে।

পরবর্তীতে এনসিপির নেতা-কর্মীরা চসিক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে এবং পুনরায় গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করলে বিএনপিসহ বিরোধী অন্যান্য গ্রুপও সেখানে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষ মুখোমুখি হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।

নিরাপত্তাজনিত প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ ঠেকাতে সিএমপি জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত এলাকায় সভা–সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। পুলিশ পাশাপাশি সবাইকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে এবং নির্দেশ অমান্য করলে আইনি কর্মवाही হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।