১১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

এক দশক পর ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত

দুই দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্বের লড়াই—এক দশক পর আবারও সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। আগামী ৬ জুন জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে (গোয়া) হবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফাইনাল।

ভারতীয় ফুটবল দর্শকরা সুখবর পেয়েছেন: টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বাগতিকরা ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ৫৮ মিনিটে সানফিদা ননগ্রুমের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ছিল নাটকীয়। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে গোল খেয়েও হার মানেনি জামালদের শিষ্যরা; শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বাংলাদেশের নাম স্থির করে ফাইনালে।

এই আসরটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম সংস্করণ এবং ভারতের আয়োজনে গোয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দুই আসরে নেপালকে পরাজিত করে বাংলাদেশ টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলেও, সাফ টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ সংস্করণে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ভারতের দিকে। সেই ধারার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১৬ সালের ফাইনাল, যখন ভারত বাংলাদেশকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উঁচু করেছিল।

গ্রুপ পর্বে এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারতও মুখোমুখি হয়েছিল; সেখানে পিটার বাটলারের প্রশিক্ষিত ভারতীয় দল ৩-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছে। গ্রুপপর্বে মালদ্বীপের সব ম্যাচ হারের ফলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয় এবং তারা শেষ চারে উঠে আসে।

৬ জুনের ফাইনালে কোনো দল হাল্কা মনে করে খেলবে না। বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার হ্যাটট্রিক শিরোপা অর্জন করা, আর ভারতও দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিপক্ষে ফের শিরোপা ফিরে পাওয়ার ইচ্ছায় মরিয়া। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, প্লেয়ারদের মানসিকতা ও কৌশল—all মিলিয়ে নির্মল নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।

ফাইনালে কাউকে বাড়তি সুযোগ দেয়া হবে না—দুই দলই দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে থাকার দাবিতে সব ঝুঁকি নেবে। ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশা করছে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এবং সম্ভবত নতুন নায়ক জন্ম নেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

এক দশক পর ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

দুই দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্বের লড়াই—এক দশক পর আবারও সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। আগামী ৬ জুন জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে (গোয়া) হবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফাইনাল।

ভারতীয় ফুটবল দর্শকরা সুখবর পেয়েছেন: টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বাগতিকরা ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ৫৮ মিনিটে সানফিদা ননগ্রুমের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ছিল নাটকীয়। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে গোল খেয়েও হার মানেনি জামালদের শিষ্যরা; শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বাংলাদেশের নাম স্থির করে ফাইনালে।

এই আসরটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম সংস্করণ এবং ভারতের আয়োজনে গোয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দুই আসরে নেপালকে পরাজিত করে বাংলাদেশ টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলেও, সাফ টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ সংস্করণে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ভারতের দিকে। সেই ধারার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১৬ সালের ফাইনাল, যখন ভারত বাংলাদেশকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উঁচু করেছিল।

গ্রুপ পর্বে এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারতও মুখোমুখি হয়েছিল; সেখানে পিটার বাটলারের প্রশিক্ষিত ভারতীয় দল ৩-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছে। গ্রুপপর্বে মালদ্বীপের সব ম্যাচ হারের ফলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয় এবং তারা শেষ চারে উঠে আসে।

৬ জুনের ফাইনালে কোনো দল হাল্কা মনে করে খেলবে না। বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার হ্যাটট্রিক শিরোপা অর্জন করা, আর ভারতও দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিপক্ষে ফের শিরোপা ফিরে পাওয়ার ইচ্ছায় মরিয়া। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, প্লেয়ারদের মানসিকতা ও কৌশল—all মিলিয়ে নির্মল নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।

ফাইনালে কাউকে বাড়তি সুযোগ দেয়া হবে না—দুই দলই দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে থাকার দাবিতে সব ঝুঁকি নেবে। ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশা করছে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এবং সম্ভবত নতুন নায়ক জন্ম নেবে।