০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অর্থনীতির গতি ফিরাতে রোডশো — বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গ্রিন কনসার্নসের উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে রোড ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ল — হতাহতের খবর নেই শহীদ জিয়ার সার্ক-ভিত্তিক বহুপাক্ষিক কূটনীতি সরকারের মূল পথ: তথ্যমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে গেছে বিইআরসি প্রত্যাহার করল ০–৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বকীয়তার প্রতীক: মির্জা ফখরুল বিআইডব্লিউটিএ’র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন মোঃ মুহিদুল ইসলাম মো. মুহিদুল ইসলাম বিআইডব্লিউটিএ’র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান বাজেট ও সংস্কারে স্বাস্থ্যখাত: পরিবর্তনের পথে

এক দশক পর ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত

দুই দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্বের লড়াই—এক দশক পর আবারও সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। আগামী ৬ জুন জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে (গোয়া) হবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফাইনাল।

ভারতীয় ফুটবল দর্শকরা সুখবর পেয়েছেন: টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বাগতিকরা ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ৫৮ মিনিটে সানফিদা ননগ্রুমের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ছিল নাটকীয়। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে গোল খেয়েও হার মানেনি জামালদের শিষ্যরা; শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বাংলাদেশের নাম স্থির করে ফাইনালে।

এই আসরটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম সংস্করণ এবং ভারতের আয়োজনে গোয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দুই আসরে নেপালকে পরাজিত করে বাংলাদেশ টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলেও, সাফ টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ সংস্করণে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ভারতের দিকে। সেই ধারার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১৬ সালের ফাইনাল, যখন ভারত বাংলাদেশকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উঁচু করেছিল।

গ্রুপ পর্বে এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারতও মুখোমুখি হয়েছিল; সেখানে পিটার বাটলারের প্রশিক্ষিত ভারতীয় দল ৩-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছে। গ্রুপপর্বে মালদ্বীপের সব ম্যাচ হারের ফলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয় এবং তারা শেষ চারে উঠে আসে।

৬ জুনের ফাইনালে কোনো দল হাল্কা মনে করে খেলবে না। বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার হ্যাটট্রিক শিরোপা অর্জন করা, আর ভারতও দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিপক্ষে ফের শিরোপা ফিরে পাওয়ার ইচ্ছায় মরিয়া। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, প্লেয়ারদের মানসিকতা ও কৌশল—all মিলিয়ে নির্মল নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।

ফাইনালে কাউকে বাড়তি সুযোগ দেয়া হবে না—দুই দলই দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে থাকার দাবিতে সব ঝুঁকি নেবে। ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশা করছে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এবং সম্ভবত নতুন নায়ক জন্ম নেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গ্রিন কনসার্নসের উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে রোড ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ

এক দশক পর ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

দুই দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্বের লড়াই—এক দশক পর আবারও সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। আগামী ৬ জুন জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে (গোয়া) হবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফাইনাল।

ভারতীয় ফুটবল দর্শকরা সুখবর পেয়েছেন: টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্বাগতিকরা ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ৫৮ মিনিটে সানফিদা ননগ্রুমের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ছিল নাটকীয়। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে গোল খেয়েও হার মানেনি জামালদের শিষ্যরা; শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে বাংলাদেশের নাম স্থির করে ফাইনালে।

এই আসরটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম সংস্করণ এবং ভারতের আয়োজনে গোয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দুই আসরে নেপালকে পরাজিত করে বাংলাদেশ টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলেও, সাফ টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ সংস্করণে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ভারতের দিকে। সেই ধারার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১৬ সালের ফাইনাল, যখন ভারত বাংলাদেশকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উঁচু করেছিল।

গ্রুপ পর্বে এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও ভারতও মুখোমুখি হয়েছিল; সেখানে পিটার বাটলারের প্রশিক্ষিত ভারতীয় দল ৩-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছে। গ্রুপপর্বে মালদ্বীপের সব ম্যাচ হারের ফলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয় এবং তারা শেষ চারে উঠে আসে।

৬ জুনের ফাইনালে কোনো দল হাল্কা মনে করে খেলবে না। বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার হ্যাটট্রিক শিরোপা অর্জন করা, আর ভারতও দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিপক্ষে ফের শিরোপা ফিরে পাওয়ার ইচ্ছায় মরিয়া। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, প্লেয়ারদের মানসিকতা ও কৌশল—all মিলিয়ে নির্মল নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।

ফাইনালে কাউকে বাড়তি সুযোগ দেয়া হবে না—দুই দলই দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে থাকার দাবিতে সব ঝুঁকি নেবে। ফুটবলপ্রেমীরা প্রত্যাশা করছে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এবং সম্ভবত নতুন নায়ক জন্ম নেবে।