০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো বাধা বা হস্তক্ষেপের পক্ষে নয়। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো গণমাধ্যমে চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি বা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের মেন্টালিটি আর নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং একজন সাংবাদিক বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করবেন—এটাই সরকারের প্রত্যাশা।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার রক্ষা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পূর্বে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ না নেওয়া হয়েছে—এটি দুঃখজনক—তবু দেশের উন্নয়নে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম।

প্রতিমন্ত্রী স্মরণ করান যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসন সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং পরে দেশের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক কল্যাণে সমর্থন দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখনও সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাজ চলবে।

তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান যুগে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য (মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন) একটি বিশ্বস্ত উদ্বেগ হিসেবে দণ্ডিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করছে। এসব মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০-৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যারা চলতি বছরে সুযোগ পাবে না, তাদেরকে আগামী বর্ষে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধক বক্তব্যে বলেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সরকার পরিচালনায় সংবাদমাধ্যম ও সরকার একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সরকারের কাজকর্মে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে; একই সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে।

তিনি প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিভেদকে ঊর্ধ্বে তুলে দেশের স্বার্থে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো বাধা বা হস্তক্ষেপের পক্ষে নয়। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো গণমাধ্যমে চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি বা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের মেন্টালিটি আর নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং একজন সাংবাদিক বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করবেন—এটাই সরকারের প্রত্যাশা।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার রক্ষা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পূর্বে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ না নেওয়া হয়েছে—এটি দুঃখজনক—তবু দেশের উন্নয়নে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম।

প্রতিমন্ত্রী স্মরণ করান যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসন সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং পরে দেশের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক কল্যাণে সমর্থন দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখনও সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাজ চলবে।

তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান যুগে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য (মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন) একটি বিশ্বস্ত উদ্বেগ হিসেবে দণ্ডিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করছে। এসব মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০-৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যারা চলতি বছরে সুযোগ পাবে না, তাদেরকে আগামী বর্ষে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধক বক্তব্যে বলেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সরকার পরিচালনায় সংবাদমাধ্যম ও সরকার একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সরকারের কাজকর্মে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে; একই সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে।

তিনি প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিভেদকে ঊর্ধ্বে তুলে দেশের স্বার্থে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।