১০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

সরকার প্রাথমিক ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে। এ লক্ষ্য নিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা জরুরি রোগী পরিবহন ও দূরবর্তী এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত সভায় এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয় দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু। তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনার বিষয় চূড়ান্ত করছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রথমদিককার পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি উপজেলাকে মডেল করে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্প সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা মিটে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন যানবাহন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, সেবাটি তিনটি পর্যায়ে দিতে পরিকল্পনা রয়েছে — গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী। সভায় এসব পর্যায়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যাম্বুলেন্স ডিজাইন ও সরঞ্জামের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সভায় জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট ও অন্যান্য জরুরি সেবার সুযোগ সংযোজনের পরিকল্পনা আছে। দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও সড়ক যোগাযোগের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে যানগুলোর আদ্যোপান্ত ডিজাইন করা হবে যাতে দুর্গম এলাকায়ও কার্যকারিতা বজায় থাকে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও সমতল হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো গুণগতমানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সরকার প্রাথমিক ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে। এ লক্ষ্য নিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা জরুরি রোগী পরিবহন ও দূরবর্তী এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত সভায় এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয় দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু। তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনার বিষয় চূড়ান্ত করছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রথমদিককার পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি উপজেলাকে মডেল করে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্প সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা মিটে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন যানবাহন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, সেবাটি তিনটি পর্যায়ে দিতে পরিকল্পনা রয়েছে — গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী। সভায় এসব পর্যায়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যাম্বুলেন্স ডিজাইন ও সরঞ্জামের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সভায় জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট ও অন্যান্য জরুরি সেবার সুযোগ সংযোজনের পরিকল্পনা আছে। দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও সড়ক যোগাযোগের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে যানগুলোর আদ্যোপান্ত ডিজাইন করা হবে যাতে দুর্গম এলাকায়ও কার্যকারিতা বজায় থাকে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও সমতল হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো গুণগতমানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।