০৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বিশেষ সিদ্ধান্তে ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট ও তিন মাসের বিশেষ অভিযান শুরু কাদুগলির শহীদ ছয় বাংলাদেশিকে নিউইয়র্কে ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ মরণোত্তর পদক অর্থনীতির গতি ফিরাতে রোডশো — বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গ্রিন কনসার্নসের উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে রোড ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ল — হতাহতের খবর নেই শহীদ জিয়ার সার্ক-ভিত্তিক বহুপাক্ষিক কূটনীতি সরকারের মূল পথ: তথ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

সরকার প্রাথমিক ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে। এ লক্ষ্য নিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা জরুরি রোগী পরিবহন ও দূরবর্তী এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত সভায় এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয় দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু। তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনার বিষয় চূড়ান্ত করছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রথমদিককার পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি উপজেলাকে মডেল করে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্প সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা মিটে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন যানবাহন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, সেবাটি তিনটি পর্যায়ে দিতে পরিকল্পনা রয়েছে — গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী। সভায় এসব পর্যায়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যাম্বুলেন্স ডিজাইন ও সরঞ্জামের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সভায় জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট ও অন্যান্য জরুরি সেবার সুযোগ সংযোজনের পরিকল্পনা আছে। দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও সড়ক যোগাযোগের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে যানগুলোর আদ্যোপান্ত ডিজাইন করা হবে যাতে দুর্গম এলাকায়ও কার্যকারিতা বজায় থাকে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও সমতল হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো গুণগতমানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সরকার প্রাথমিক ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে। এ লক্ষ্য নিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা জরুরি রোগী পরিবহন ও দূরবর্তী এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরিসংক্রান্ত সভায় এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয় দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু। তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনার বিষয় চূড়ান্ত করছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রথমদিককার পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি উপজেলাকে মডেল করে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্প সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা মিটে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন যানবাহন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, সেবাটি তিনটি পর্যায়ে দিতে পরিকল্পনা রয়েছে — গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী। সভায় এসব পর্যায়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যাম্বুলেন্স ডিজাইন ও সরঞ্জামের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সভায় জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট ও অন্যান্য জরুরি সেবার সুযোগ সংযোজনের পরিকল্পনা আছে। দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও সড়ক যোগাযোগের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে যানগুলোর আদ্যোপান্ত ডিজাইন করা হবে যাতে দুর্গম এলাকায়ও কার্যকারিতা বজায় থাকে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও সমতল হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো গুণগতমানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।