০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রাজশাহীর পুঠিয়া আম হাট পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড এবং দূতাবাসের উর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তারা।

হাট ঘুরে ঘুরে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন আমের জাত, গুণমান ও বাজারমূল্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি আম বিক্রেতা ও চাষিদের সাথে কথাবার্তা বলেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কয়েকটি আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ঘুরে দেখা ও আলাপে অংশগ্রহণকারীরা বলেছিলেন, রাষ্ট্রদূতের আগমন এলাকাটির জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার এবং এতে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও পরিচিতি পাবে বলে আশা জাগে।

স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ী বলেন, রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান বিশ্বখ্যাত। তারা আশা প্রকাশ করেন যে এ ধরনের কূটনৈতিক আগমন রপ্তানি বাড়াতে সহায়ক হবে এবং বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়াবে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি তার প্রথম রাজশাহী সফর; যদিও ২০২০ সালে তিনি একবার এখানে এসেছিলেন। তিনি জানান, বিশেষত আমের মৌসুমে রাজশাহী এসে স্থানীয় আমের স্বাদ নেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। তিনি নিজেকে এমন একজন হিসেবে পরিচয় দিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছেন, ফলে যেখানে পণ্য উৎপাদিত হয় সেখানে গিয়ে সরাসরি তাজা ও বৈচিত্র্যময় জিনিসগুলো দেখা তার কাছে কোনো তুলনার নয় এমন অভিজ্ঞতা।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আম আমরাও খুব পছন্দ করি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত হিমায়িত আম পাওয়া যায় এবং সেগুলো শেক বা অন্যান্য প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। তিনি মনে করেন, সেখানে হয়তো এতটা তাজা আম সহজলভ্য নয়। বাংলাদেশি আমের রপ্তানি বাড়াতে তিনি কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তার ভাষায়, বছরের চার季 আম সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও হিমায়িত আম রপ্তানির জন্য দেশে আরও উন্নত কোল্ড স্টোরেজ প্রয়োজন।

হাটের ব্যবসায়ী ও চাষিরা বলেন, রাষ্ট্রদূতের এই সফর তাদের মধ্যে উৎসাহ যোগাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করতে সহযোগিতা করবে বলে তারা আশাবাদী।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রাজশাহীর পুঠিয়া আম হাট পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড এবং দূতাবাসের উর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তারা।

হাট ঘুরে ঘুরে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন আমের জাত, গুণমান ও বাজারমূল্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি আম বিক্রেতা ও চাষিদের সাথে কথাবার্তা বলেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কয়েকটি আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ঘুরে দেখা ও আলাপে অংশগ্রহণকারীরা বলেছিলেন, রাষ্ট্রদূতের আগমন এলাকাটির জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার এবং এতে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও পরিচিতি পাবে বলে আশা জাগে।

স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ী বলেন, রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান বিশ্বখ্যাত। তারা আশা প্রকাশ করেন যে এ ধরনের কূটনৈতিক আগমন রপ্তানি বাড়াতে সহায়ক হবে এবং বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়াবে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি তার প্রথম রাজশাহী সফর; যদিও ২০২০ সালে তিনি একবার এখানে এসেছিলেন। তিনি জানান, বিশেষত আমের মৌসুমে রাজশাহী এসে স্থানীয় আমের স্বাদ নেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। তিনি নিজেকে এমন একজন হিসেবে পরিচয় দিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছেন, ফলে যেখানে পণ্য উৎপাদিত হয় সেখানে গিয়ে সরাসরি তাজা ও বৈচিত্র্যময় জিনিসগুলো দেখা তার কাছে কোনো তুলনার নয় এমন অভিজ্ঞতা।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আম আমরাও খুব পছন্দ করি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত হিমায়িত আম পাওয়া যায় এবং সেগুলো শেক বা অন্যান্য প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। তিনি মনে করেন, সেখানে হয়তো এতটা তাজা আম সহজলভ্য নয়। বাংলাদেশি আমের রপ্তানি বাড়াতে তিনি কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তার ভাষায়, বছরের চার季 আম সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও হিমায়িত আম রপ্তানির জন্য দেশে আরও উন্নত কোল্ড স্টোরেজ প্রয়োজন।

হাটের ব্যবসায়ী ও চাষিরা বলেন, রাষ্ট্রদূতের এই সফর তাদের মধ্যে উৎসাহ যোগাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করতে সহযোগিতা করবে বলে তারা আশাবাদী।