০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অষ্টগ্রামে র‌্যালি-আলোচনায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উদযাপন

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, ২০২৬’ উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার, ২২ জুন সকালেই র‌্যালি বের হয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে; পরে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, বাঙালপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগরসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।

আলোচকরা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব বিশেষ করে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যাসহ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যে ঘটে যাওয়া ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তারা তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, জনস্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সচেতনতা বাড়ানো ও আইন-শৃঙ্খলা কঠোর করার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করানোর উপর জোর দেন।

আয়োজনকারীরা বলেছিলেন, পরিবারের স্তর থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ ও কমিউনিটি পর্যায়ে তরুণ প্রজন্মকে তামাকজাতীয় পণ্যের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করে তোলা জরুরি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান, শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি তামাকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন যে তারা নিজেরা তামাকবিরোধী সওজ্ঞানতা ছড়িয়ে দেবেন এবং স্থানীয়ভাবে তামাকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অষ্টগ্রামে র‌্যালি-আলোচনায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উদযাপন

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, ২০২৬’ উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার, ২২ জুন সকালেই র‌্যালি বের হয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে; পরে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, বাঙালপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগরসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।

আলোচকরা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব বিশেষ করে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যাসহ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যে ঘটে যাওয়া ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তারা তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, জনস্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সচেতনতা বাড়ানো ও আইন-শৃঙ্খলা কঠোর করার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করানোর উপর জোর দেন।

আয়োজনকারীরা বলেছিলেন, পরিবারের স্তর থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ ও কমিউনিটি পর্যায়ে তরুণ প্রজন্মকে তামাকজাতীয় পণ্যের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করে তোলা জরুরি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান, শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি তামাকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন যে তারা নিজেরা তামাকবিরোধী সওজ্ঞানতা ছড়িয়ে দেবেন এবং স্থানীয়ভাবে তামাকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করবেন।