১২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নিরাপদ টেকনাফ: বাহারছড়ায় অপহরণ স্পটে পুলিশ চৌকি স্থাপনের সিদ্ধান্ত

টেকনাফকে নিরাপদ করে তুলতে বাহারছড়া এলাকায় অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ দমনের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বিত অভিযান এবং স্থায়ী পুলিশ চৌকি স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পরিকল্পনা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর পাহাড়ে পরিচালিত অভিযানের আদলে নেওয়া হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) কক্সবাজারের টেকনাফে চার ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতি ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান। প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। এছাড়া পুলিশ, বিজিবি, উপজেলা প্রশাসন ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বাহারছড়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এলাকা থেকে অপহরণকারী ও সন্ত্রাসী চক্রকে দমন করার জন্য দ্রুত ও সমন্বিত যৌথ অভিযান চালানোর ওপর জোর দেন। অপহরণপ্রবণ স্থানে স্থায়ী পুলিশ টহল ও চৌকির মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। অপরাধ দমনে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান পরিচালনা ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সভা শেষে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপহরণ, মাদকসহ অন্য অপরাধ দমন করতে দ্রুত যৌথ অভিযান করা হবে। অপরাধীরা যাতে সহজে জামিন পেয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াতে না পারে, তার জন্য কার্যকর আইনগত উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অবৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্ত, মোবাইল আর্থিক সেবার অপব্যবহার বন্ধ ও অপহরণকারী ও মানবপাচারকারী চক্রগুলোর তালিকা করে কড়াকড়ি করার দাবি তুলেছেন। সভায় টেকনাফকে অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

প্রস্তাবিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাহারছড়াসহ টেকনাফ অঞ্চলে অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে; পাশাপাশি স্থানীয়দের জীবন যাত্রা ও পর্যটন কার্যক্রম নিরাপদ করার লক্ষ্য বলা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নিরাপদ টেকনাফ: বাহারছড়ায় অপহরণ স্পটে পুলিশ চৌকি স্থাপনের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

টেকনাফকে নিরাপদ করে তুলতে বাহারছড়া এলাকায় অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ দমনের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বিত অভিযান এবং স্থায়ী পুলিশ চৌকি স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পরিকল্পনা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর পাহাড়ে পরিচালিত অভিযানের আদলে নেওয়া হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) কক্সবাজারের টেকনাফে চার ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতি ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান। প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। এছাড়া পুলিশ, বিজিবি, উপজেলা প্রশাসন ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বাহারছড়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এলাকা থেকে অপহরণকারী ও সন্ত্রাসী চক্রকে দমন করার জন্য দ্রুত ও সমন্বিত যৌথ অভিযান চালানোর ওপর জোর দেন। অপহরণপ্রবণ স্থানে স্থায়ী পুলিশ টহল ও চৌকির মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। অপরাধ দমনে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান পরিচালনা ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সভা শেষে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপহরণ, মাদকসহ অন্য অপরাধ দমন করতে দ্রুত যৌথ অভিযান করা হবে। অপরাধীরা যাতে সহজে জামিন পেয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াতে না পারে, তার জন্য কার্যকর আইনগত উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অবৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্ত, মোবাইল আর্থিক সেবার অপব্যবহার বন্ধ ও অপহরণকারী ও মানবপাচারকারী চক্রগুলোর তালিকা করে কড়াকড়ি করার দাবি তুলেছেন। সভায় টেকনাফকে অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

প্রস্তাবিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাহারছড়াসহ টেকনাফ অঞ্চলে অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে; পাশাপাশি স্থানীয়দের জীবন যাত্রা ও পর্যটন কার্যক্রম নিরাপদ করার লক্ষ্য বলা হয়েছে।