১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগের মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্বিঘ্নে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ স্থানে সরানো, জরুরি ত্রাণ সরবরাহ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনায় সেনাবাহিনী দিনরাত কাজ করছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, এলাকায় পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে দ্রুত রাস্তাঘাট খোলা এবং যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। বিপদের আশঙ্কায় থাকা উচ্চ ঝুঁকির পরিবেশ থেকে প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

দূর্গম এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটক নিশ্চিতভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর করার কাজ চলছে।

দুর্যোগग्रস্তদের দ্রুত আরাম দিলেই ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে প্রয়োজনীয় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। তারা আক্রান্ত অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমাতে প্রতিবারের মতো এবারও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটের সময় জনগণের জীবন, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে আসে এবং ভবিষ্যতেও এই দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগের মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্বিঘ্নে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ স্থানে সরানো, জরুরি ত্রাণ সরবরাহ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনায় সেনাবাহিনী দিনরাত কাজ করছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, এলাকায় পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে দ্রুত রাস্তাঘাট খোলা এবং যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। বিপদের আশঙ্কায় থাকা উচ্চ ঝুঁকির পরিবেশ থেকে প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

দূর্গম এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন পর্যটক নিশ্চিতভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর করার কাজ চলছে।

দুর্যোগग्रস্তদের দ্রুত আরাম দিলেই ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে প্রয়োজনীয় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। তারা আক্রান্ত অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমাতে প্রতিবারের মতো এবারও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটের সময় জনগণের জীবন, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে আসে এবং ভবিষ্যতেও এই দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।