১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মুক্তপ্রাণ মানবিক কবি আবদুল হাই মাশরেকীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলা গানের জনপ্রিয় ধারার নির্মাতা, কিংবদন্তি কবি ও গীতিকার আবদুল হাই মাশরেকীর ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে ‘কবি আবদুল হাই মাশরেকী’ গবেষণা কেন্দ্র ও মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকা भाग নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং সভাপতিত্ব করেন চিত্রশিল্পী ও সমাজসেবী সন্তু সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. গোলাম শফিক—কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার; প্রফেসর গাউসুর রহমান—গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি; মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—প্রাবন্ধিক ও ইতিহাসবিদ; দৈনিক বাংলার সমাচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ এবং উত্তরাঞ্চলের ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মজিবুর রহমান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন এক মুক্তপ্রাণ মানবিক রেনেসাঁর কবি। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি থাকার মতো একজন ভূমিপুত্র, যিনি মানুষের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। প্রয়োজনে নিজের লেখা ও সৃষ্টিকর্ম বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা বলছেন, তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত হবে।

আলোচনা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নানে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে, যা গজলশিল্পী ওস্তাদ জামাল হাসান ও তাঁর সহশিল্পীরা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি গোলাম কাদের, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার আকবর সিরাজী, কবির সন্তান নঈম মাশরেকী, শহীদুল ইসলাম সেলিম, মো. রুহুল আমিন বাদল প্রমুখ।

আলোচনায় আবদুল হাই মাশরেকীর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও গণতান্ত্রিক চেতনায় তাঁর অবদান বিশদভাবে আলোচিত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মুক্তপ্রাণ মানবিক কবি আবদুল হাই মাশরেকীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলা গানের জনপ্রিয় ধারার নির্মাতা, কিংবদন্তি কবি ও গীতিকার আবদুল হাই মাশরেকীর ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে ‘কবি আবদুল হাই মাশরেকী’ গবেষণা কেন্দ্র ও মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকা भाग নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং সভাপতিত্ব করেন চিত্রশিল্পী ও সমাজসেবী সন্তু সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. গোলাম শফিক—কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার; প্রফেসর গাউসুর রহমান—গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি; মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—প্রাবন্ধিক ও ইতিহাসবিদ; দৈনিক বাংলার সমাচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ এবং উত্তরাঞ্চলের ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মজিবুর রহমান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন এক মুক্তপ্রাণ মানবিক রেনেসাঁর কবি। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি থাকার মতো একজন ভূমিপুত্র, যিনি মানুষের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। প্রয়োজনে নিজের লেখা ও সৃষ্টিকর্ম বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা বলছেন, তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত হবে।

আলোচনা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নানে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে, যা গজলশিল্পী ওস্তাদ জামাল হাসান ও তাঁর সহশিল্পীরা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি গোলাম কাদের, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার আকবর সিরাজী, কবির সন্তান নঈম মাশরেকী, শহীদুল ইসলাম সেলিম, মো. রুহুল আমিন বাদল প্রমুখ।

আলোচনায় আবদুল হাই মাশরেকীর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও গণতান্ত্রিক চেতনায় তাঁর অবদান বিশদভাবে আলোচিত হয়।