০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তারেক রহমান: আমাকে বিদায় দিতে দয়া করে কেউ বিমানবন্দরে যাবেন না

দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটানোর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর নিজ দেশে ফিরছেন। দেশে ফেরার সময় তিনি যুক্তরাজ্যের বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ভিড় না করার জন্য এবং বিদায় জানানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। এই নির্দেশনা তিনি দিয়েছেন লন্ডনে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) আয়োজিত যুক্তরাজ্য বিএনপি কর্তৃক সংগঠিত মহান বিজয় দিবসের এক আলোচনা সভায়।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর যুক্তরাজ্যের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরছেন। তিনি নেতাকর্মীদের অনুরোধ করেন, দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দরে গিয়ে যেন কেউ বিশৃঙ্খলা বা হট্টগোল সৃষ্টি না করেন। তার মতে, বিমানবন্দরে ভিড় করলে দেশের এবং দলের সম্মান ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যারা তার অনুরোধ মেনে বিমানবন্দরে যাবেন না, তারা আসলে দলের প্রতি এবং দেশের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাশীল। আর যারা তার নির্দেশ অমান্য করে গিয়ে থাকবেন, তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্যই সেখানে গিয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।

বিজয় দিবসের এই আলোচনা সভায় তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ১৯৭১, ১৯৭৫ বা ১৯৯৬ সালের মতো ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি শুধুমাত্র স্বপ্ন দেখা না, বরং সে স্বপ্ন পূরণের জন্য বাস্তব পরিকল্পনা করছে। ভবিষ্যতের দিনগুলো সহজ নয় বলেও তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাতে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক দুর্বিপাকে তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। পরে ২০০৮ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পান ও চিকিৎসার জন্য পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এরপর থেকেই তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তারেক রহমান: আমাকে বিদায় দিতে দয়া করে কেউ বিমানবন্দরে যাবেন না

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটানোর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর নিজ দেশে ফিরছেন। দেশে ফেরার সময় তিনি যুক্তরাজ্যের বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ভিড় না করার জন্য এবং বিদায় জানানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। এই নির্দেশনা তিনি দিয়েছেন লন্ডনে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) আয়োজিত যুক্তরাজ্য বিএনপি কর্তৃক সংগঠিত মহান বিজয় দিবসের এক আলোচনা সভায়।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর যুক্তরাজ্যের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরছেন। তিনি নেতাকর্মীদের অনুরোধ করেন, দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দরে গিয়ে যেন কেউ বিশৃঙ্খলা বা হট্টগোল সৃষ্টি না করেন। তার মতে, বিমানবন্দরে ভিড় করলে দেশের এবং দলের সম্মান ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যারা তার অনুরোধ মেনে বিমানবন্দরে যাবেন না, তারা আসলে দলের প্রতি এবং দেশের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাশীল। আর যারা তার নির্দেশ অমান্য করে গিয়ে থাকবেন, তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্যই সেখানে গিয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।

বিজয় দিবসের এই আলোচনা সভায় তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ১৯৭১, ১৯৭৫ বা ১৯৯৬ সালের মতো ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি শুধুমাত্র স্বপ্ন দেখা না, বরং সে স্বপ্ন পূরণের জন্য বাস্তব পরিকল্পনা করছে। ভবিষ্যতের দিনগুলো সহজ নয় বলেও তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাতে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক দুর্বিপাকে তারেক রহমান গ্রেপ্তার হন। পরে ২০০৮ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পান ও চিকিৎসার জন্য পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। এরপর থেকেই তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।