০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’-এ ফের এক সঙ্গে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

বাংলাদেশের টেলিভিশন অভিনয় জগতের দুই প্রবল ব্যক্তিত্ব, আবুল হায়াত ও ডলি জহুর, আবারো এক সঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই দুই জীবন্ত কিংবদন্তি নতুন একটি নাটকে জুটি বাঁধলেন। নাটকের শিরোনাম ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’। এ কাহিনী মূলত পারিবারিক সম্পর্ক ও মানবিক টানাপোড়েনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা দর্শকদের মন ছুয়ে যাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা।

নাটকটির পরিচালনা করেছেন প্রশংসিত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, যিনি এর প্রযোজনা করেছেন রঙ্গন মিউজিকের আওতায়। নাটকের চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। সম্প্রতি, তিন দিনের কঠোর শুটিং শেষে দৃশ্যধারনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চয়নিকা চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দর্শকরা আবারও সেই নিরিবিলি, হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক গল্পের দিকে ফিরে আসছেন। এই নাটকটি মূলত মন ভালো করে দেওয়া নির্মল পারিবারিক গল্প ফুটিয়ে তুলতে নির্মিত। দুই দারুণ অভিনয়শিল্পীকে নিয়ে কাজ করতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত।

নাটকের ব্যাপারে বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াত বলেন, চয়নিকা একজন সচেতন ও বিচক্ষণ নির্মাতা, যার গল্পবস্থা খুব সুন্দর। দীর্ঘদিন ডলি জহুরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার ভালো লেগেছে বলেও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, ডলি জহুর আবুল হায়াতকে ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ বলে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর সঙ্গে অভিনয় করতে গেলে কাজের কোন কষ্ট হয় না, গল্পের মধ্যে ঢুকে সব স্বাভাবিক মনে হয়। চয়নিকা চৌধুরীর এই সুন্দর উদ্যোগের জন্য তিনি তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিচালনাসূত্রে জানা গেছে, এই নাটক শীঘ্রই একটি জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। শক্তিশালী এই দুই শিল্পীর রসায়ন দেখার জন্য দারুণ আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাঁদের অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীরা। মূল 목표 হলো পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসার মূল্য তুলে ধরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’-এ ফের এক সঙ্গে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের টেলিভিশন অভিনয় জগতের দুই প্রবল ব্যক্তিত্ব, আবুল হায়াত ও ডলি জহুর, আবারো এক সঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই দুই জীবন্ত কিংবদন্তি নতুন একটি নাটকে জুটি বাঁধলেন। নাটকের শিরোনাম ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’। এ কাহিনী মূলত পারিবারিক সম্পর্ক ও মানবিক টানাপোড়েনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা দর্শকদের মন ছুয়ে যাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা।

নাটকটির পরিচালনা করেছেন প্রশংসিত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, যিনি এর প্রযোজনা করেছেন রঙ্গন মিউজিকের আওতায়। নাটকের চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। সম্প্রতি, তিন দিনের কঠোর শুটিং শেষে দৃশ্যধারনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চয়নিকা চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দর্শকরা আবারও সেই নিরিবিলি, হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক গল্পের দিকে ফিরে আসছেন। এই নাটকটি মূলত মন ভালো করে দেওয়া নির্মল পারিবারিক গল্প ফুটিয়ে তুলতে নির্মিত। দুই দারুণ অভিনয়শিল্পীকে নিয়ে কাজ করতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত।

নাটকের ব্যাপারে বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াত বলেন, চয়নিকা একজন সচেতন ও বিচক্ষণ নির্মাতা, যার গল্পবস্থা খুব সুন্দর। দীর্ঘদিন ডলি জহুরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার ভালো লেগেছে বলেও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, ডলি জহুর আবুল হায়াতকে ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ বলে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর সঙ্গে অভিনয় করতে গেলে কাজের কোন কষ্ট হয় না, গল্পের মধ্যে ঢুকে সব স্বাভাবিক মনে হয়। চয়নিকা চৌধুরীর এই সুন্দর উদ্যোগের জন্য তিনি তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিচালনাসূত্রে জানা গেছে, এই নাটক শীঘ্রই একটি জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। শক্তিশালী এই দুই শিল্পীর রসায়ন দেখার জন্য দারুণ আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাঁদের অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীরা। মূল 목표 হলো পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসার মূল্য তুলে ধরা।