১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশের প্রথম সপ্তাহের আয় কত?

জেমস ক্যামেরনের দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর বিরতি দিয়ে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এই সিনেমা বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকে বক্স অফিসে শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তিটি প্রথম সপ্তাহেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যদিও উৎসবকালীন ছুটির মৌসুমে মানুষ কম ঘরোয়া কাজকর্মে ব্যস্ত থাকায় দেশের ভিতরে এর আয় কিছুটা প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এর অপ্রতিরোধ্য সফলতা নিশ্চিতভাবেই সিনেমা বিশ্লেষকদের মন জয় করেছে।

টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি স্টুডিওজের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বাজারে মুক্তির প্রথম তিন দিনে সিনেমাটি প্রায় ৮৮ মিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে শনিবারের আয় ছিল ২৮ মিলিয়ন ডলার। এর আগের কিস্তি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এই কিস্তির ব্যবসা একটু ধীরগতির হলেও বিশ্বজুড়ে এর সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব খুব সুখকর। ধারণা করা হয়, প্রথম সপ্তাহ শেষে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় ৩৪০ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাবে। বিশেষ করে চীনের বাজারে এই সিনেমা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে; সেখানে বর্তমানে এটি ৫২ মিলিয়ন ডলার আয় করে বক্স অফিসের শীর্ষে রয়েছে।

নতুন এই কিস্তিতে জেমস ক্যামেরন দর্শকদের নতুন এবং চরম ভয়ংকর জাতি ‘অ্যাশ পিপল’-এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করছে। সমালোচকদের কাছ থেকে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও সাধারণ দর্শকরা কারিগরি নির্মাণ এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে সিনেমাটিকে ইতিবাচক মূল্যায়ন দিয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে সিনেমাটি ‘এ’ স্কোর পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়ী সফলতার পক্ষেই ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে ভিএফএক্সের ক্ষেত্রে জেমস ক্যামেরন আবারও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রশংসার ঝড় শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, বক্স অফিসে অন্যান্য সিনেমাগুলোর প্রতিযোগিতা চলছে। ‘অ্যাঞ্জেল স্টুডিওজ’ এর অ্যানিমেশন সিনেমা ‘ডেভিড’ ২১ মিলিয়ন ডলার আয় করে এই প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সেরা উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়েছে। এর পাশাপাশি ‘দ্য হাউজমেড’ ও ‘স্পঞ্জবব মুভি’ যথাক্রমে ১৯ ও ১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তবে বড় বাজেটের এবং বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি দ্রুতই এক বিলিয়ন ডলারের ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে, এই প্রথম সপ্তাহের ফলাফলই তার এক শক্তিশালী প্রমাণ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশের প্রথম সপ্তাহের আয় কত?

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জেমস ক্যামেরনের দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর বিরতি দিয়ে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এই সিনেমা বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকে বক্স অফিসে শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তিটি প্রথম সপ্তাহেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যদিও উৎসবকালীন ছুটির মৌসুমে মানুষ কম ঘরোয়া কাজকর্মে ব্যস্ত থাকায় দেশের ভিতরে এর আয় কিছুটা প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এর অপ্রতিরোধ্য সফলতা নিশ্চিতভাবেই সিনেমা বিশ্লেষকদের মন জয় করেছে।

টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি স্টুডিওজের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বাজারে মুক্তির প্রথম তিন দিনে সিনেমাটি প্রায় ৮৮ মিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে শনিবারের আয় ছিল ২৮ মিলিয়ন ডলার। এর আগের কিস্তি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এই কিস্তির ব্যবসা একটু ধীরগতির হলেও বিশ্বজুড়ে এর সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব খুব সুখকর। ধারণা করা হয়, প্রথম সপ্তাহ শেষে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় ৩৪০ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাবে। বিশেষ করে চীনের বাজারে এই সিনেমা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে; সেখানে বর্তমানে এটি ৫২ মিলিয়ন ডলার আয় করে বক্স অফিসের শীর্ষে রয়েছে।

নতুন এই কিস্তিতে জেমস ক্যামেরন দর্শকদের নতুন এবং চরম ভয়ংকর জাতি ‘অ্যাশ পিপল’-এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করছে। সমালোচকদের কাছ থেকে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও সাধারণ দর্শকরা কারিগরি নির্মাণ এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে সিনেমাটিকে ইতিবাচক মূল্যায়ন দিয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে সিনেমাটি ‘এ’ স্কোর পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়ী সফলতার পক্ষেই ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে ভিএফএক্সের ক্ষেত্রে জেমস ক্যামেরন আবারও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রশংসার ঝড় শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, বক্স অফিসে অন্যান্য সিনেমাগুলোর প্রতিযোগিতা চলছে। ‘অ্যাঞ্জেল স্টুডিওজ’ এর অ্যানিমেশন সিনেমা ‘ডেভিড’ ২১ মিলিয়ন ডলার আয় করে এই প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সেরা উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়েছে। এর পাশাপাশি ‘দ্য হাউজমেড’ ও ‘স্পঞ্জবব মুভি’ যথাক্রমে ১৯ ও ১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তবে বড় বাজেটের এবং বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি দ্রুতই এক বিলিয়ন ডলারের ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে, এই প্রথম সপ্তাহের ফলাফলই তার এক শক্তিশালী প্রমাণ।