০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মমতার হুঁশিয়ারি, দিল্লিকে হুঁশিয়ারি ‘ওর দিল্লি কেড়ে নেব’

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া বা এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের এক কর্মীসভায় স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো দিল্লির ক্ষমতা দখল করা।

বর্তমানে বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিহারে ৫২ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও তেমনই একটি সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত বিজেপিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করছে। বিশেষ করে, ১৯৮৭ সালের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য মা-বাবার নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই ভোটার তালিকা সংশোধনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন যে, বাংলার জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই ক্ষমতা হারাতে পারে। সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা মানুষের অধিকার লুটে নিতে চাইছেন, তাদের ভোট দেওয়া থেকে বর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তথ্য অনুসারে, এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং যাদের নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সুন্দরভাবে শুনানির ব্যবস্থা করেন। তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।