০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ সত্যিই একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির অপূর্ব দৃষ্টান্ত। এ দেশে প্রাচীনকাল থেকে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানকে সম্মান করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানে বসবাস করে আসছে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের শুভ উৎসবের প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন, যখন তিনি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিশেষ এক বাণী পাঠান।

প্রধান উপদেষ্টা সবাইকে অন্তর থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই বড়দিনের উৎসব যেন আমাদের মধ্যে জাতিগত ও ধর্মীয় বিভাজন ভুলে গিয়ে একতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশপ্রেম ও মানবতার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সহ সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করতে আরও এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে বড়দিন উদযাপন আমাদের এই বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে, এই প্রত্যাশা তাঁর। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলের জন্য একটি বৈষম্যহীন,ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তৈরির জন্য কাজ করছে।

প্রফেসর ইউনূস আরও বলেন, খ্রিষ্টের জন্মের এই দিনে, বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যিশু খ্রিষ্ট। তিনি বিশ্ববাসীর কাছে শান্তি, ন্যায় ও মানবমুক্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তার জীবন ছিল মানবজাতিকে পাপমুক্ত করে সত্য, কল্যাণ ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার উৎস। তিনি সদা ব্যস্ত থাকতেন অসহায়, অবহেলিত ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের সেবা করে। মহামতি যিশু সব সময়ই ক্ষমা, ভালোবাসা ও প্রভুভক্তির মহিমা প্রচার করেছিলেন। তার জীবনদর্শন ও গুণাবলি আজও ভক্ত ও অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয়।

অন্ত্যন্ত তিনি সবাইকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের কামনা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ সত্যিই একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির অপূর্ব দৃষ্টান্ত। এ দেশে প্রাচীনকাল থেকে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানকে সম্মান করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানে বসবাস করে আসছে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের শুভ উৎসবের প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন, যখন তিনি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিশেষ এক বাণী পাঠান।

প্রধান উপদেষ্টা সবাইকে অন্তর থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই বড়দিনের উৎসব যেন আমাদের মধ্যে জাতিগত ও ধর্মীয় বিভাজন ভুলে গিয়ে একতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও জোরদার করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশপ্রেম ও মানবতার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সহ সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করতে আরও এগিয়ে আসবেন।

তিনি বলেন, যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে বড়দিন উদযাপন আমাদের এই বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে, এই প্রত্যাশা তাঁর। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলের জন্য একটি বৈষম্যহীন,ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তৈরির জন্য কাজ করছে।

প্রফেসর ইউনূস আরও বলেন, খ্রিষ্টের জন্মের এই দিনে, বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যিশু খ্রিষ্ট। তিনি বিশ্ববাসীর কাছে শান্তি, ন্যায় ও মানবমুক্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তার জীবন ছিল মানবজাতিকে পাপমুক্ত করে সত্য, কল্যাণ ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার উৎস। তিনি সদা ব্যস্ত থাকতেন অসহায়, অবহেলিত ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের সেবা করে। মহামতি যিশু সব সময়ই ক্ষমা, ভালোবাসা ও প্রভুভক্তির মহিমা প্রচার করেছিলেন। তার জীবনদর্শন ও গুণাবলি আজও ভক্ত ও অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয়।

অন্ত্যন্ত তিনি সবাইকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের কামনা করেন।