১০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অ্যাশেজ দিয়ে খাজার ক্যারিয়ারের শেষ সূচনাঃ দীর্ঘ পথের অবসান

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বস্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার উসমান খাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে তিনি সতীর্থদের এই সিদ্ধান্ত জানান, ৩৯ বছর বয়সী এই ওপেনার। চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টই হবে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আগামী সপ্তাহে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮৮তম টেস্ট খেলতে নামবেন তিনি। এই মাঠেই তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট জীবন শুরু হয়েছিল, আর এখান থেকেই তিনি свої আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন।

২০১১ সালে কিংবদন্তি ক্রিকেটার রিকি পন্টিং চোট পাওয়ায় প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে সুযোগ পান খাজা। গত ১৫ বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি অজেদের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৬,০০০ এর বেশি রান সংগ্রহ করেছেন। সিডনিতে বড় হওয়া খাজা অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পাশের কুক রোডে থাকতেন তিনি। ছোটবেলায় যখন দেখতেন মাইকেল স্ল্যাটারকে লাল রঙের ফেরারিতে চড়ে যেতে, তখন থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন। অনেক অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া এই ক্রিকেটার কখনও কল্পনাও করেননি, একদিন তাঁকে এমন উজ্জ্বল ক্যারিয়ার উপহার দেবেন সৃষ্টিকর্তা।

উসমান খাজা কেবল একজন সফল ব্যাটারই নন, বরং অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের ইতিহাসে তাঁর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে খেলেন এমন প্রথম পাকিস্তান বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার। নিজের গায়ের রঙ ও ধর্মীয় পরিচয় উল্লেঙ্গ করে তিনি বলেন, একজন গর্বিত মুসলিম ছেলে হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করা তার জন্য ছিল মহাকাব্যিক এক অর্জন। সিডনি টেস্টের মাধ্যমে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি সমাপ্তি জানান। এই প্রস্থানের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে একজন আদর্শ এবং পরিশ্রমী খেলোয়াড়ের হারিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অ্যাশেজ দিয়ে খাজার ক্যারিয়ারের শেষ সূচনাঃ দীর্ঘ পথের অবসান

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বস্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার উসমান খাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে তিনি সতীর্থদের এই সিদ্ধান্ত জানান, ৩৯ বছর বয়সী এই ওপেনার। চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টই হবে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আগামী সপ্তাহে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮৮তম টেস্ট খেলতে নামবেন তিনি। এই মাঠেই তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট জীবন শুরু হয়েছিল, আর এখান থেকেই তিনি свої আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন।

২০১১ সালে কিংবদন্তি ক্রিকেটার রিকি পন্টিং চোট পাওয়ায় প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে সুযোগ পান খাজা। গত ১৫ বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি অজেদের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৬,০০০ এর বেশি রান সংগ্রহ করেছেন। সিডনিতে বড় হওয়া খাজা অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পাশের কুক রোডে থাকতেন তিনি। ছোটবেলায় যখন দেখতেন মাইকেল স্ল্যাটারকে লাল রঙের ফেরারিতে চড়ে যেতে, তখন থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন। অনেক অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া এই ক্রিকেটার কখনও কল্পনাও করেননি, একদিন তাঁকে এমন উজ্জ্বল ক্যারিয়ার উপহার দেবেন সৃষ্টিকর্তা।

উসমান খাজা কেবল একজন সফল ব্যাটারই নন, বরং অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের ইতিহাসে তাঁর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে খেলেন এমন প্রথম পাকিস্তান বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার। নিজের গায়ের রঙ ও ধর্মীয় পরিচয় উল্লেঙ্গ করে তিনি বলেন, একজন গর্বিত মুসলিম ছেলে হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করা তার জন্য ছিল মহাকাব্যিক এক অর্জন। সিডনি টেস্টের মাধ্যমে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি সমাপ্তি জানান। এই প্রস্থানের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে একজন আদর্শ এবং পরিশ্রমী খেলোয়াড়ের হারিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠল।