০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জরুরি অবতরণের নির্দেশ অমান্য করে পাইলট, বিমানের ভিতরেই মৃত্যু যাত্রীর

সিলেট থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এক অসুস্থ যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। জানা গেছে, মাঝআকাশে ওই যাত্রীর গুরুতর অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে কাছাকাছি নিরাপদ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পাইলট এই নির্দেশনা উপেক্ষা করেন এবং কোনও জরুরি অবতরণ করেনি। গত ৩১ ডিসেম্বর ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় ফ্লাইট বিজি ২০১ এর পাইলট আলেয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তখনই বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমার মধ্যে প্রবেশ করেছিল, যেখানে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে দ্রুত নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীর জীবন রক্ষায় নিকটবর্তী বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পাইলট সেই নির্দেশনা না মেনে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়ে অবশেষে ঢাকায় ফিরে আসে। এই বিলম্বের কারণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব থাকা অবস্থায় ওই যাত্রী বিমানের ভেতরেই মৃত্যুবরণ করেন। পাইলটের এই সিদ্ধান্তের কারণে কেবল একজন বিস্তারিত প্রাণ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি, বরং আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে এই বিমানটি আর লন্ডনের উদ্দেশ্য রওনা হওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে সাধারণ যাত্রীরাও চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন, এবং ঘটনার নেপথ্য কারণ খুঁজে বের করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংস্থার ফ্লাইট সেফটি বিভাগের প্রধান। অন্য সদস্যরা রয়েছেন কাস্টমার সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার এবং অ্যাকাউন্টস ও প্যাসেঞ্জার রেভিনিউ প্রসেস র‍্যাপিডের ম্যানেজার। এই কমিটি মূলত তদন্ত করবেন কেন পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে অন্য নিরাপদ বিমানবন্দরে না নেমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, এর যৌক্তিকতা ছিল কি না, এবং ওই যাত্রীর মেডিকেল ফিটনেস যাচাই ও প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সময়মতো ছিল কি না। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পাইলট ও অন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জরুরি অবতরণের নির্দেশ অমান্য করে পাইলট, বিমানের ভিতরেই মৃত্যু যাত্রীর

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এক অসুস্থ যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। জানা গেছে, মাঝআকাশে ওই যাত্রীর গুরুতর অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে কাছাকাছি নিরাপদ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পাইলট এই নির্দেশনা উপেক্ষা করেন এবং কোনও জরুরি অবতরণ করেনি। গত ৩১ ডিসেম্বর ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় ফ্লাইট বিজি ২০১ এর পাইলট আলেয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তখনই বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমার মধ্যে প্রবেশ করেছিল, যেখানে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে দ্রুত নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীর জীবন রক্ষায় নিকটবর্তী বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পাইলট সেই নির্দেশনা না মেনে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়ে অবশেষে ঢাকায় ফিরে আসে। এই বিলম্বের কারণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব থাকা অবস্থায় ওই যাত্রী বিমানের ভেতরেই মৃত্যুবরণ করেন। পাইলটের এই সিদ্ধান্তের কারণে কেবল একজন বিস্তারিত প্রাণ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি, বরং আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে এই বিমানটি আর লন্ডনের উদ্দেশ্য রওনা হওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে সাধারণ যাত্রীরাও চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন, এবং ঘটনার নেপথ্য কারণ খুঁজে বের করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংস্থার ফ্লাইট সেফটি বিভাগের প্রধান। অন্য সদস্যরা রয়েছেন কাস্টমার সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার এবং অ্যাকাউন্টস ও প্যাসেঞ্জার রেভিনিউ প্রসেস র‍্যাপিডের ম্যানেজার। এই কমিটি মূলত তদন্ত করবেন কেন পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে অন্য নিরাপদ বিমানবন্দরে না নেমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, এর যৌক্তিকতা ছিল কি না, এবং ওই যাত্রীর মেডিকেল ফিটনেস যাচাই ও প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সময়মতো ছিল কি না। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পাইলট ও অন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।