০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মোবাইল ব্যবসায়ীদের অনড় অবস্থান: ব্যাংকের ঋণ কিস্তির স্থগিতের ঘোষণা

চলমান আন্দোলন ও বন্ধের পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির মধ্যে দেশের মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সব ধরনের ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ আপাতত স্থগিত রাখতে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এবং স্পষ্ট করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া তাদের জন্য বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক এই খাতে হাজারদের কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ব্যবসা সচল থাকাকালে তারা নিয়মিতভাবে কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন। তবে বর্তমানে সারাদেশে দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ীদের আয় বন্ধ হওয়ায় কিস্তি পরিশোধ সম্ভব হচ্ছে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “চলমান পরিস্থিতির কারণে আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি।” তারা আরও অভিযোগ করেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে যৌক্তিক দাবিগুলোর কোন সমাধান হলো না, তাতে এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সংগঠনটি তাদের ব্যবসার বৈধতা নিয়ে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী তারা ব্যাংক ঋণ পেয়েছেন, যা তাদের একান্তই বৈধ ও আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ। বিজ্ঞপ্তিতে তারা হুঁশিয়ার করে বলেছে, “বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নীতিমালা অনুসারে, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ দেওয়ার আগে সেই ব্যবসার বৈধতা, স্থায়িত্ব ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করে।” সংগঠনটি স্পষ্ট করে দিতে চায়, যারা তাদের বিরুদ্ধে অবান্তর অভিযোগ প্রয়াগম করছে, তাদের উদ্দেশ্যে, “তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই, এই শিল্পে ব্যাংকগুলোর কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগই আমাদের বৈধতার অন্যতম প্রমাণ।” শেষ পর্যন্ত, ব্যবসায়ীরা এই সংকট সমাধানের জন্য দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে বলেছেন, “আমাদের দাবি খুবই সরাসরি, ন্যায্য সমাধান চাই। সমাধান আসলে, ব্যবসাও চলবে, আর ব্যাংকের কিস্তিও চলবে।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মোবাইল ব্যবসায়ীদের অনড় অবস্থান: ব্যাংকের ঋণ কিস্তির স্থগিতের ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

চলমান আন্দোলন ও বন্ধের পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির মধ্যে দেশের মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সব ধরনের ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ আপাতত স্থগিত রাখতে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এবং স্পষ্ট করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া তাদের জন্য বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক এই খাতে হাজারদের কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ব্যবসা সচল থাকাকালে তারা নিয়মিতভাবে কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন। তবে বর্তমানে সারাদেশে দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ীদের আয় বন্ধ হওয়ায় কিস্তি পরিশোধ সম্ভব হচ্ছে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “চলমান পরিস্থিতির কারণে আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি।” তারা আরও অভিযোগ করেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে যৌক্তিক দাবিগুলোর কোন সমাধান হলো না, তাতে এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সংগঠনটি তাদের ব্যবসার বৈধতা নিয়ে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী তারা ব্যাংক ঋণ পেয়েছেন, যা তাদের একান্তই বৈধ ও আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ। বিজ্ঞপ্তিতে তারা হুঁশিয়ার করে বলেছে, “বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নীতিমালা অনুসারে, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ দেওয়ার আগে সেই ব্যবসার বৈধতা, স্থায়িত্ব ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করে।” সংগঠনটি স্পষ্ট করে দিতে চায়, যারা তাদের বিরুদ্ধে অবান্তর অভিযোগ প্রয়াগম করছে, তাদের উদ্দেশ্যে, “তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই, এই শিল্পে ব্যাংকগুলোর কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগই আমাদের বৈধতার অন্যতম প্রমাণ।” শেষ পর্যন্ত, ব্যবসায়ীরা এই সংকট সমাধানের জন্য দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে বলেছেন, “আমাদের দাবি খুবই সরাসরি, ন্যায্য সমাধান চাই। সমাধান আসলে, ব্যবসাও চলবে, আর ব্যাংকের কিস্তিও চলবে।”