০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মির্জা ফখরুল: হাসিনার মতো নেতা চাই না, যে নিজের লোককে ফেলে পালিয়ে যাবে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যে নেতা নিজের কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, এমন নেতা জনগণ আর চান না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আওয়ামী লীগ করে, শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয় এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়, তাদের সবাইকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতৃত্বের পুনরাবৃত্তি দেশবাসী এখন আর দেখতে চায় না।

বিএনপি মহাসचিব বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ভোটাধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সেই অধিকারকে খর্ব করে বর্বরতা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকার চাইতে গেলে মানুষ জেল খাটতে বাধ্য হয়েছে, মারধর ও গুলির শিকার হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার তরফ থেকে যখন প্রবল আন্দোলন উঠে আসে, তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। সেই অন্ধকার সময়ের দুঃশাসনের স্মরণে তিনি ভোটারদের সর্তক হওয়ার আহ্বান জানান।

গণসংযোগের সময় মির্জা ফখরুল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দলের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের আমানত রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব, আমরা কখনো অবশ্যই এই আমানত লেনদেন করব না। চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা ঘুষের বাণিজ্য চলবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্কুলের শিক্ষক, দপ্তরির নিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, চাকরির জন্য আমরা নিজেরা টাকা নেওয়া বা দিতে দেব না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, তারা আজ আবার ভোট চাইতে এসে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে, তাদের ভোট না দেওয়ার জন্য অটলভাবে জনগণকে আহ্বান জানান তিনি। পথে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মির্জা ফখরুল: হাসিনার মতো নেতা চাই না, যে নিজের লোককে ফেলে পালিয়ে যাবে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যে নেতা নিজের কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, এমন নেতা জনগণ আর চান না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা আওয়ামী লীগ করে, শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয় এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেয়, তাদের সবাইকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন নেতৃত্বের পুনরাবৃত্তি দেশবাসী এখন আর দেখতে চায় না।

বিএনপি মহাসचিব বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ভোটাধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সেই অধিকারকে খর্ব করে বর্বরতা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকার চাইতে গেলে মানুষ জেল খাটতে বাধ্য হয়েছে, মারধর ও গুলির শিকার হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার তরফ থেকে যখন প্রবল আন্দোলন উঠে আসে, তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। সেই অন্ধকার সময়ের দুঃশাসনের স্মরণে তিনি ভোটারদের সর্তক হওয়ার আহ্বান জানান।

গণসংযোগের সময় মির্জা ফখরুল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দলের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের আমানত রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব, আমরা কখনো অবশ্যই এই আমানত লেনদেন করব না। চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা ঘুষের বাণিজ্য চলবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্কুলের শিক্ষক, দপ্তরির নিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, চাকরির জন্য আমরা নিজেরা টাকা নেওয়া বা দিতে দেব না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, যারা একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, তারা আজ আবার ভোট চাইতে এসে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে, তাদের ভোট না দেওয়ার জন্য অটলভাবে জনগণকে আহ্বান জানান তিনি। পথে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।