০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শুল্ক বজায় রেখে ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়াম আমদানি প্রক্রিয়া সরল করার পরিকল্পনা

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত বর্তমান শুল্ক স্থির রেখে আমদানি সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সহজ করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রিয়ার বলেন, শুল্কের হার কমানো হচ্ছে না; বরং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে অতিরিক্ত কাগজপত্র ও জটিল নিয়ম-কানুনের ভারে আটকে না পড়ে, সে লক্ষ্যে শুল্ক প্রয়োগের প্রশাসনিক পদ্ধতিতে পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। তার কথায়, বর্তমানে বিদ্যমান নিয়মাবলী মেনে চলতে গিয়ে অনেক ব্যবসায়ী অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং প্রচুর সময় ব্যয় হচ্ছে।

বাণিজ্য প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, সরকারি উদ্দেশ্য ব্যবসায়ীদের মূল উৎপাদন ও পরিচালনামূলক কার্যক্রমকে ব্যাহত না করা—তাই দাপ্তরিক ঝামেলা কমিয়ে প্রক্রিয়াগুলোকে আরও সুস্পষ্ট ও গতিশীল করা হচ্ছে। প্রশাসনিক সরলীকরণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—সেগুলি হতে পারে স্পষ্ট নির্দেশিকা, কাগজপত্র সহজীকরণ বা ডিজিটালায়নের মাধ্যমে অনলাইন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা—কিন্তু এসবের বিস্তারিত চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

গ্রিয়ার বলেন, মোট-মূল্যায়নে এই শুল্ক নীতিই সফল হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প পুনরায় জাগ্রত হচ্ছে, অন্যান্য দেশও তাদের অযাচিত বাণিজ্যবাধা সরিয়ে নেওয়ার দিকে ঝুঁকছে, এবং দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ছে—যার ফলে অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে। এই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমান শুল্ক নীতিকে কার্যকর রাখার পক্ষে।

পটভূমি হিসেবে বলা হয়, গত বছর চীনের অতিরিক্ত উৎপাদনশীলতা মোকাবিলা ও দেশীয় শিল্প রক্ষার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পরে এসব ধাতু দিয়ে তৈরি বিভিন্ন সমাপ্ত পণ্যের ওপরও শুল্কের পরিধি বাড়ানো হয়। ফলত আমদানিকৃত পণ্যের কাঁচামালের উৎস ও অনুপাত নির্ণয় করে শুল্ক হিসাব করা ব্যবসায়ীদের জন্য জটিল ও ব্যয়বহুল হয়েছে।

ওয়াশিংটন এখন মূলত সেই জটিলতা দূর করে একটি ব্যবসায়-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, যদি প্রশাসনিক সরলীকরণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে মার্কিন উৎপাদনখাতে আমদানির গতি ও দক্ষতা বাড়বে এবং ব্যবসায়িক খরচ কমবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

শুল্ক বজায় রেখে ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়াম আমদানি প্রক্রিয়া সরল করার পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ১১:৩৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত বর্তমান শুল্ক স্থির রেখে আমদানি সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সহজ করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রিয়ার বলেন, শুল্কের হার কমানো হচ্ছে না; বরং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে অতিরিক্ত কাগজপত্র ও জটিল নিয়ম-কানুনের ভারে আটকে না পড়ে, সে লক্ষ্যে শুল্ক প্রয়োগের প্রশাসনিক পদ্ধতিতে পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। তার কথায়, বর্তমানে বিদ্যমান নিয়মাবলী মেনে চলতে গিয়ে অনেক ব্যবসায়ী অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং প্রচুর সময় ব্যয় হচ্ছে।

বাণিজ্য প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, সরকারি উদ্দেশ্য ব্যবসায়ীদের মূল উৎপাদন ও পরিচালনামূলক কার্যক্রমকে ব্যাহত না করা—তাই দাপ্তরিক ঝামেলা কমিয়ে প্রক্রিয়াগুলোকে আরও সুস্পষ্ট ও গতিশীল করা হচ্ছে। প্রশাসনিক সরলীকরণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—সেগুলি হতে পারে স্পষ্ট নির্দেশিকা, কাগজপত্র সহজীকরণ বা ডিজিটালায়নের মাধ্যমে অনলাইন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা—কিন্তু এসবের বিস্তারিত চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

গ্রিয়ার বলেন, মোট-মূল্যায়নে এই শুল্ক নীতিই সফল হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প পুনরায় জাগ্রত হচ্ছে, অন্যান্য দেশও তাদের অযাচিত বাণিজ্যবাধা সরিয়ে নেওয়ার দিকে ঝুঁকছে, এবং দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ছে—যার ফলে অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে। এই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমান শুল্ক নীতিকে কার্যকর রাখার পক্ষে।

পটভূমি হিসেবে বলা হয়, গত বছর চীনের অতিরিক্ত উৎপাদনশীলতা মোকাবিলা ও দেশীয় শিল্প রক্ষার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পরে এসব ধাতু দিয়ে তৈরি বিভিন্ন সমাপ্ত পণ্যের ওপরও শুল্কের পরিধি বাড়ানো হয়। ফলত আমদানিকৃত পণ্যের কাঁচামালের উৎস ও অনুপাত নির্ণয় করে শুল্ক হিসাব করা ব্যবসায়ীদের জন্য জটিল ও ব্যয়বহুল হয়েছে।

ওয়াশিংটন এখন মূলত সেই জটিলতা দূর করে একটি ব্যবসায়-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, যদি প্রশাসনিক সরলীকরণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে মার্কিন উৎপাদনখাতে আমদানির গতি ও দক্ষতা বাড়বে এবং ব্যবসায়িক খরচ কমবে।