০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।

সরকারি পর্যায়ে খসড়া অনুযায়ী, এই যুগান্তকারী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য করা লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

বর্তমান সরকার সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মূলত হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।

বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তিন স্তরের বিশেষ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতি প্রতিটি কার্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং অনিয়ম বা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ সীমিত করবে, জানিয়েছেন মন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় প্রথম ধাপে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তি, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন ও বগুড়া সদরসহ মোট ১৩টি এলাকার নির্বাচিত ওয়ার্ডে এই সুবিধা দেওয়া হবে। প্রকল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো প্রতিটি পরিবারের নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। উদ্বোধনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এখন চূড়ান্ত কাজ করছে।

প্রকল্পটির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অথবা সরাসরি উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ সূচনা করবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। এতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী সরাসরি খাদ্য ও নিত্যপণ্যের সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

প্রকাশিতঃ ০৬:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।

সরকারি পর্যায়ে খসড়া অনুযায়ী, এই যুগান্তকারী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য করা লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

বর্তমান সরকার সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মূলত হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনা এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।

বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তিন স্তরের বিশেষ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতি প্রতিটি কার্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং অনিয়ম বা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ সীমিত করবে, জানিয়েছেন মন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় প্রথম ধাপে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তি, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন ও বগুড়া সদরসহ মোট ১৩টি এলাকার নির্বাচিত ওয়ার্ডে এই সুবিধা দেওয়া হবে। প্রকল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো প্রতিটি পরিবারের নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। উদ্বোধনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এখন চূড়ান্ত কাজ করছে।

প্রকল্পটির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অথবা সরাসরি উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ সূচনা করবেন বলে জানানো হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। এতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী সরাসরি খাদ্য ও নিত্যপণ্যের সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।