০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী নিয়োগ

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিজিএফআই-এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। তিনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান, তীক্ষ্ণ বুদ্ধির ও চৌকস সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়োগের খবর বুধবার নিশ্চিত করা হয়।

মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর সামরিক জীবন শুরু থেকেই সফলতার সাথে এগিয়ে আসছেন। তিনি ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। প্রতিটি পর্যায়ে তার মেধা ও দক্ষতা স্বপ্রমাণিত। তার শিক্ষাগত ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে দুবার স্টাফ কোর্সে সফলতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি, তুরস্ক থেকে আর্মি আর্টিলারির বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গার্নে স্টাফ কোর্সও সম্পন্ন করেছেন।

অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পর্যন্ত সবখানে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবেদনশীল এলাকায় আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে তিন বছর প্রশিক্ষক ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতে তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে ভবিষ্যৎ সামরিক কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৯ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কর্মরত থাকা অবস্থায় তার নিষ্ঠা ও প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বাহিনীকে নতুন অপশন ও সুযোগ সৃষ্টিতে তার ভূমিকা বিশ্বজোড়া প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার কাছেও তিনি বিশেষ প্রশংসা লাভ করেন।

সহকর্মীদের কাছেও তিনি একজন আদর্শ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। এই নিয়োগকে বহুল প্রত্যাশিত ও সময়োচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 그의 প্রশিক্ষণ, অপারেশন ও প্রশাসনে দক্ষতা গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদারিত্ব ও মেধার মাধ্যমে এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ দেশের প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন এক দিগন্ত আহরণ করবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী নিয়োগ

প্রকাশিতঃ ০৮:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিজিএফআই-এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। তিনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান, তীক্ষ্ণ বুদ্ধির ও চৌকস সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়োগের খবর বুধবার নিশ্চিত করা হয়।

মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর সামরিক জীবন শুরু থেকেই সফলতার সাথে এগিয়ে আসছেন। তিনি ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। প্রতিটি পর্যায়ে তার মেধা ও দক্ষতা স্বপ্রমাণিত। তার শিক্ষাগত ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে দুবার স্টাফ কোর্সে সফলতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি, তুরস্ক থেকে আর্মি আর্টিলারির বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গার্নে স্টাফ কোর্সও সম্পন্ন করেছেন।

অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পর্যন্ত সবখানে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবেদনশীল এলাকায় আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে তিন বছর প্রশিক্ষক ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতে তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে ভবিষ্যৎ সামরিক কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৯ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কর্মরত থাকা অবস্থায় তার নিষ্ঠা ও প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বাহিনীকে নতুন অপশন ও সুযোগ সৃষ্টিতে তার ভূমিকা বিশ্বজোড়া প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার কাছেও তিনি বিশেষ প্রশংসা লাভ করেন।

সহকর্মীদের কাছেও তিনি একজন আদর্শ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। এই নিয়োগকে বহুল প্রত্যাশিত ও সময়োচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 그의 প্রশিক্ষণ, অপারেশন ও প্রশাসনে দক্ষতা গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদারিত্ব ও মেধার মাধ্যমে এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ দেশের প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন এক দিগন্ত আহরণ করবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।