০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়ে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।

গ্রেস মেং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার রক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিস্তৃত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে; বিশেষত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।

সেইসঙ্গে গ্রেস মেং তার নির্বাচনী এলাকার বড় সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতিতে সদা উৎসাহী এবং একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি ঐ সেতুবন্ধন আরও মজবুত করে তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।

গ্রেস মেংয়ের এই বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইতিবাচক সঙ্কেত হিসেবে দেখা যায়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গড়ে তোলার ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন

প্রকাশিতঃ ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়ে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।

গ্রেস মেং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার রক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিস্তৃত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে; বিশেষত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।

সেইসঙ্গে গ্রেস মেং তার নির্বাচনী এলাকার বড় সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতিতে সদা উৎসাহী এবং একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি ঐ সেতুবন্ধন আরও মজবুত করে তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।

গ্রেস মেংয়ের এই বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইতিবাচক সঙ্কেত হিসেবে দেখা যায়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গড়ে তোলার ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।