০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

‘লিজি ম্যাকগুয়ার’ খ্যাত রবার্ট ক্যারাডাইন আর নেই

হলিউড অভিনেতা রবার্ট ক্যারাডাইন আর নেই। ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’-এ স্যাম ম্যাকগুয়ার তথা লিজির বাবার ভূমিকাসহ ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’ সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মন জয় করা এই অভিনেতা ৭১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন—তথ্যটি সিএনএন এ প্রকাশিত হয়েছে।

ক্যারাডাইনের পরিবারের প্রকাশিত শোকবার্তায় বলা হয়েছে, তারা একজন প্রিয় বাবা, দাদা ও ভাইকে হারিয়ে গভীরভাবে শোকাহত। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, দীর্ঘ দু–দশক ধরে রবার্ট বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো জটিল মানসিক রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছিলেন। পরিবারের উদ্দেশ্য ছিল এই লড়াই সম্পর্কে openness বৃদ্ধি করে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং মানুষকে সংবেদনশীল করতে উৎসাহিত করা।

রবার্টের বড় ভাই ও হলিউডে পরিচিত মুখ কিথ ক্যারাডাইন তাঁর ভাইকে স্মরণ করে বলেন, রবার্ট ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও সৃজনশীল একজন মানুষ। মানসিক অসুস্থতা লুকিয়ে রাখার বদলে তা নিয়ে লড়াই করাটাকেই তিনি বীরত্ব হিসেবে দেখতেন—কীথ উল্লেখ করেন যে এটি একটি বাস্তব রোগ, যাইহোক তা শেষ পর্যন্ত রবার্টকে পরাজিত করেছে।

রবার্ট ছিল ক্যারাডাইন পরিবারের অন্যতম ছেলে; তিনি ১৯৫৪ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং কিংবদন্তি অভিনেতা জন ক্যারাডাইন তাঁর পিতা। রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৭২ সালে—জন ওয়েনের সঙ্গে ‘দ্য কাউবয়েজ’ ছবি থেকেই। ১৯৮০-এর দশকে ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’-এ অনবদ্য অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বড় পরিচিতি পান এবং পরে ২০০০ দশকের শুরুতে ডিজনি সিরিজ ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’-এ হিলারি ডাফের বাবার চরিত্রে প্রধান গুরুত্ব পেয়ে নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

রবার্টের প্রয়ানে সহশিল্পী ও অনুরাগীরা শোকপ্রকাশ করেছেন। হিলারি ডাফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হৃদ্য ও আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, পুরোনো বন্ধুকে হারানো অত্যন্ত কষ্টকর। সিরিজের সহঅভিনেতা জেক থমাস তাঁকে স্মরণ করে বলেছেন, রবার্ট ছিলেন মজাদার, কিছুটা অদ্ভুত কিন্তু দারুণ মনের মানুষ। রবার্টের মেয়ে এভার ক্যারাডাইনও সামাজিক মাধ্যমে বাবার সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতিচারণ করে তাঁকে বিদায় জানিয়েছে।

এই আকস্মিক বিদায়ে পুরো হলিউড এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর ভক্তদের মনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রবার্ট ক্যারাডাইনের শিল্পজীবন ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি তাঁর খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গি অনেকের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন অম্লান থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

‘লিজি ম্যাকগুয়ার’ খ্যাত রবার্ট ক্যারাডাইন আর নেই

প্রকাশিতঃ ০৫:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হলিউড অভিনেতা রবার্ট ক্যারাডাইন আর নেই। ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’-এ স্যাম ম্যাকগুয়ার তথা লিজির বাবার ভূমিকাসহ ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’ সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মন জয় করা এই অভিনেতা ৭১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন—তথ্যটি সিএনএন এ প্রকাশিত হয়েছে।

ক্যারাডাইনের পরিবারের প্রকাশিত শোকবার্তায় বলা হয়েছে, তারা একজন প্রিয় বাবা, দাদা ও ভাইকে হারিয়ে গভীরভাবে শোকাহত। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, দীর্ঘ দু–দশক ধরে রবার্ট বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো জটিল মানসিক রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছিলেন। পরিবারের উদ্দেশ্য ছিল এই লড়াই সম্পর্কে openness বৃদ্ধি করে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং মানুষকে সংবেদনশীল করতে উৎসাহিত করা।

রবার্টের বড় ভাই ও হলিউডে পরিচিত মুখ কিথ ক্যারাডাইন তাঁর ভাইকে স্মরণ করে বলেন, রবার্ট ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও সৃজনশীল একজন মানুষ। মানসিক অসুস্থতা লুকিয়ে রাখার বদলে তা নিয়ে লড়াই করাটাকেই তিনি বীরত্ব হিসেবে দেখতেন—কীথ উল্লেখ করেন যে এটি একটি বাস্তব রোগ, যাইহোক তা শেষ পর্যন্ত রবার্টকে পরাজিত করেছে।

রবার্ট ছিল ক্যারাডাইন পরিবারের অন্যতম ছেলে; তিনি ১৯৫৪ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং কিংবদন্তি অভিনেতা জন ক্যারাডাইন তাঁর পিতা। রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৭২ সালে—জন ওয়েনের সঙ্গে ‘দ্য কাউবয়েজ’ ছবি থেকেই। ১৯৮০-এর দশকে ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’-এ অনবদ্য অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বড় পরিচিতি পান এবং পরে ২০০০ দশকের শুরুতে ডিজনি সিরিজ ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’-এ হিলারি ডাফের বাবার চরিত্রে প্রধান গুরুত্ব পেয়ে নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

রবার্টের প্রয়ানে সহশিল্পী ও অনুরাগীরা শোকপ্রকাশ করেছেন। হিলারি ডাফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হৃদ্য ও আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, পুরোনো বন্ধুকে হারানো অত্যন্ত কষ্টকর। সিরিজের সহঅভিনেতা জেক থমাস তাঁকে স্মরণ করে বলেছেন, রবার্ট ছিলেন মজাদার, কিছুটা অদ্ভুত কিন্তু দারুণ মনের মানুষ। রবার্টের মেয়ে এভার ক্যারাডাইনও সামাজিক মাধ্যমে বাবার সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতিচারণ করে তাঁকে বিদায় জানিয়েছে।

এই আকস্মিক বিদায়ে পুরো হলিউড এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর ভক্তদের মনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রবার্ট ক্যারাডাইনের শিল্পজীবন ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি তাঁর খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গি অনেকের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন অম্লান থাকবে।