০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের এক অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সংসদ নেসেটে বিশেষ ভাষণ দেন এবং সেখানে ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’ দিয়ে সম্মানিত হন। বুধবার নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদকটি তার হাতে তুলে দেন।

শিরোনামের এই সম্মানটি তাকে দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে মোদির অসামান্য অবদান। অনুষ্ঠানে মোদি দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অংশীদারিত্বকে ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা মোদির নেতৃত্ব ও দুই দেশের বন্ধুত্ব জোরালো করার কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই পদক প্রদানের মাধ্যমে ইসরায়েল ও ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

কিছু আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকের মন্তব্য অনুসারে, নরেন্দ্র মোদি এমন বিরল সম্মাননা পাওয়া প্রথম বিশ্বের নেতাদের মধ্যে একজন; তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন ধরার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, মোদি আগে ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ও পেয়েছিলেন—ফলে তিনি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় পক্ষ থেকে সম্মাননা লাভের বিশেষ অবস্থায় রয়েছেন, যা কূটনৈতিকভাবে নজর কাড়ছে।

এটি মোদির ইসরায়েলে নয় বছর পর প্রথম সফর। তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক সফর ২০১৭ সালের জুলাইতে হলে, তখনই দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ হিসেবে উন্নীত করা হয়। এবারের সফরেও সেই অংশীদারিত্বকে আরও ঘনিষ্ঠ করার সংকল্প প্রতিফলিত হয়।

সফরের সার্বিকভাবে এই দিকটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মত প্রকাশ করেছেন। ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক এখন প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের ছকে গভীরতর সহযোগিতার দিকে এগোচ্ছে—এটাই এই সফরের মূল সারঃমর্ম বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিতঃ ০২:১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের এক অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সংসদ নেসেটে বিশেষ ভাষণ দেন এবং সেখানে ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’ দিয়ে সম্মানিত হন। বুধবার নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদকটি তার হাতে তুলে দেন।

শিরোনামের এই সম্মানটি তাকে দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে মোদির অসামান্য অবদান। অনুষ্ঠানে মোদি দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অংশীদারিত্বকে ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা মোদির নেতৃত্ব ও দুই দেশের বন্ধুত্ব জোরালো করার কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই পদক প্রদানের মাধ্যমে ইসরায়েল ও ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

কিছু আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকের মন্তব্য অনুসারে, নরেন্দ্র মোদি এমন বিরল সম্মাননা পাওয়া প্রথম বিশ্বের নেতাদের মধ্যে একজন; তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন ধরার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, মোদি আগে ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ও পেয়েছিলেন—ফলে তিনি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় পক্ষ থেকে সম্মাননা লাভের বিশেষ অবস্থায় রয়েছেন, যা কূটনৈতিকভাবে নজর কাড়ছে।

এটি মোদির ইসরায়েলে নয় বছর পর প্রথম সফর। তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক সফর ২০১৭ সালের জুলাইতে হলে, তখনই দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ হিসেবে উন্নীত করা হয়। এবারের সফরেও সেই অংশীদারিত্বকে আরও ঘনিষ্ঠ করার সংকল্প প্রতিফলিত হয়।

সফরের সার্বিকভাবে এই দিকটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মত প্রকাশ করেছেন। ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক এখন প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের ছকে গভীরতর সহযোগিতার দিকে এগোচ্ছে—এটাই এই সফরের মূল সারঃমর্ম বলে মনে করা হচ্ছে।