১০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরেক রহমান: টিকে থাকতে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রই একমাত্র বিকল্প বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের জন্য নতুন পরিকল্পনা সরকারের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে দেরিতে আসা কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. সরওয়ার মনোনীত হওয়ার পরও বাংলা একাডেমি পুরস্কার ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ এগ্রো-প্রোডাক্টকে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারি: কৃষি মন্ত্রী মনোনীত হলেও মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাময়িক স্থগিত অফিসে দেরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বইমেলা: দেশের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানা চালু করতে সহায়তা দেবে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে চলেছে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পথে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ধরনের সমর্থন দেবে।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি অফিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ডেপুটি গভর্নর ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বললেন, ‘আগে কাজ, পরে কথা’। এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে যান।

বৈঠক শেষে মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বেশি হয়। সুদহার নিয়ন্ত্রণের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু সময় আগে থেকে চলমান স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বেশ কিছু প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন গভর্নর উল্লেখ করেন, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতের সমন্বয় জোরদার করা হবে। এর ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখা অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ছাড়াও, উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিয়মবদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার প্রয়োজন রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজেদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও উন্নত করবেন। এই সমস্ত উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানা চালু করতে সহায়তা দেবে: গভর্নর

প্রকাশিতঃ ০৩:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে চলেছে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পথে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ধরনের সমর্থন দেবে।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি অফিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ডেপুটি গভর্নর ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বললেন, ‘আগে কাজ, পরে কথা’। এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে যান।

বৈঠক শেষে মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বেশি হয়। সুদহার নিয়ন্ত্রণের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু সময় আগে থেকে চলমান স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বেশ কিছু প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন গভর্নর উল্লেখ করেন, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতের সমন্বয় জোরদার করা হবে। এর ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখা অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ছাড়াও, উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিয়মবদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার প্রয়োজন রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজেদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও উন্নত করবেন। এই সমস্ত উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।