১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে শেয়ার বাজারে

শেয়ার বাজারে দীর্ঘ দুই বছর ধরে নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির পর, চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশের টাইমের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে এক নতুন জোয়ার দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিক্রির পক্ষ নিয়ে থাকলেও এখন তারা শেয়ার কিনতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এর ফলে বাজারে নতুন করে আশার আলো জেগে উঠেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন, যেখানে বিক্রি করেছেন ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। ফলে মাস শেষে তাদের নিট বিনিয়োগে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি ঘটেছে। একই সময়ে, ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনেও বিদেশিদের লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে তাদের লেনদেন ছিল ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার মতো।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাজারের তরলতা ও অর্থনীতির অবস্থা আরও শুভ দিকে এগোতে পারে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়াচ্ছে, যা নতুন বিনিয়োগের জন্য উৎসাহ সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের তথ্যে কিছু ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে বিদেশি হিসাবধারীর বিও অ্যাকাউন্ট ছিল মোট ৪৩ হাজার ৫৪৯টি, যা ফেব্রুয়ারির ১৫ দিনের মধ্যে কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ১০১টিতে। অর্থাৎ, এই দুই সপ্তাহের মধ্যে ৪৪৮টি বিও অ্যাকাউন্ট কমে গেছে। যদিও হিসাবের সংখ্যা কমলেও, বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে।

ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা মোট ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন, যেখানে কিনেছেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৭০ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৬১ কোটি টাকা। তবে, ২০২৩ সালে তারা ৬৪ কোটি টাকার ইতিবাচক নিট বিনিয়োগ করেছিলেন। গত আট বছরে, সাত বছরই বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক।

বিগত ১২ মাসের মধ্যে ২০২৫ সালে پانچটি মাসই বিদেশিদের বিনিয়োগ ইতিবাচক ভাবে ছিল। বিশেষ করে, মে থেকে আগস্ট সময়ে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে শেয়ার কিনেছেন, যা ডিএসইএক্স সূচককে উর্ধ্বমুখী করে তোলে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিক বিক্রির মাধ্যমে তারা বাজার থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে শেয়ার বাজারে

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেয়ার বাজারে দীর্ঘ দুই বছর ধরে নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির পর, চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশের টাইমের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে এক নতুন জোয়ার দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিক্রির পক্ষ নিয়ে থাকলেও এখন তারা শেয়ার কিনতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এর ফলে বাজারে নতুন করে আশার আলো জেগে উঠেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন, যেখানে বিক্রি করেছেন ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। ফলে মাস শেষে তাদের নিট বিনিয়োগে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি ঘটেছে। একই সময়ে, ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনেও বিদেশিদের লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে তাদের লেনদেন ছিল ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার মতো।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাজারের তরলতা ও অর্থনীতির অবস্থা আরও শুভ দিকে এগোতে পারে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়াচ্ছে, যা নতুন বিনিয়োগের জন্য উৎসাহ সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের তথ্যে কিছু ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে বিদেশি হিসাবধারীর বিও অ্যাকাউন্ট ছিল মোট ৪৩ হাজার ৫৪৯টি, যা ফেব্রুয়ারির ১৫ দিনের মধ্যে কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ১০১টিতে। অর্থাৎ, এই দুই সপ্তাহের মধ্যে ৪৪৮টি বিও অ্যাকাউন্ট কমে গেছে। যদিও হিসাবের সংখ্যা কমলেও, বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে।

ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা মোট ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন, যেখানে কিনেছেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৭০ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৬১ কোটি টাকা। তবে, ২০২৩ সালে তারা ৬৪ কোটি টাকার ইতিবাচক নিট বিনিয়োগ করেছিলেন। গত আট বছরে, সাত বছরই বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক।

বিগত ১২ মাসের মধ্যে ২০২৫ সালে پانچটি মাসই বিদেশিদের বিনিয়োগ ইতিবাচক ভাবে ছিল। বিশেষ করে, মে থেকে আগস্ট সময়ে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে শেয়ার কিনেছেন, যা ডিএসইএক্স সূচককে উর্ধ্বমুখী করে তোলে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিক বিক্রির মাধ্যমে তারা বাজার থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করেছে।