১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

৩-০ জিতেও কোপা দেল রে থেকে বাদ বার্সেলোনা, ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

কোপা দেল রে শিরোপা রক্ষা কষ্টকর জবাবদিহিতে আজ একে ব্রত বারে বার্সেলোনা। ন্যু ক্যাম্পে মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে হারালেও প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় কাতালান জায়ান্টরা মোট মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়। ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ বা অ্যাথলেটিক বিলবাও; শিরোপার লড়াই নির্ধারিত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাজুড়ে আক্রমণাত্মক মনোভাব উপহার দিলেও শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় বার্সা। মাত্র ১৩তম মিনিটে ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে চোট পান এবং তাকে মাঠের বাইরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা স্বাগতিক দলের পরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য প্রহার বসায়। তবুও হাল ছাড়েনি বার্সেলোনা। ২৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে মাঠে গোল করেন মার্ক বার্নাল এবং দলকে এগিয়ে নেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েই পেদ্রি বিরুদ্ধে ফাউল হওয়ায় বার্সেলোনা পেনাল্টি পান; সেটি থেকে রাফিনহা ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্কোর ২-০ করেন এবং ভক্তদের মধ্যে প্রত্যাশার সঞ্চার করেন। বিরতি পরেও আক্রমণের জবাব দিতে থাকে বার্সা। ৭২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর পরিশ্রমী পাস থেকে মারক বার্নাল দুর্দান্ত ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন, যা দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরানোর স্বপ্নকে আরও জোরালো করে।

তবুও প্রথম লেগে করা চার গোলের ঘাটতি পুষিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয় দল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় তাদের পথ শেষ হয়ে যায় এবং হতাশা নিয়ে মাঠ ত্যাগ করতে হয় খেলোয়াড়দের।

ম্যাচ শেষে রাফিনহা দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করলেও ফাইনালে খেলতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জুয়ান মুসো স্বীকার করেছেন যে টানা ভালো পারফরম্যান্স হয়নি, তবুও শেষপর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো ম্যাচে বার্সায় সুযোগ থাকলেও ফিনিশিং বারবার ব্যর্থ হওয়া এবং অ্যাটলেটিকোর কৌশলী রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা শেষে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

৩-০ জিতেও কোপা দেল রে থেকে বাদ বার্সেলোনা, ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

প্রকাশিতঃ ০৩:২২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

কোপা দেল রে শিরোপা রক্ষা কষ্টকর জবাবদিহিতে আজ একে ব্রত বারে বার্সেলোনা। ন্যু ক্যাম্পে মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে হারালেও প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় কাতালান জায়ান্টরা মোট মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়। ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ বা অ্যাথলেটিক বিলবাও; শিরোপার লড়াই নির্ধারিত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাজুড়ে আক্রমণাত্মক মনোভাব উপহার দিলেও শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় বার্সা। মাত্র ১৩তম মিনিটে ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে চোট পান এবং তাকে মাঠের বাইরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা স্বাগতিক দলের পরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য প্রহার বসায়। তবুও হাল ছাড়েনি বার্সেলোনা। ২৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে মাঠে গোল করেন মার্ক বার্নাল এবং দলকে এগিয়ে নেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েই পেদ্রি বিরুদ্ধে ফাউল হওয়ায় বার্সেলোনা পেনাল্টি পান; সেটি থেকে রাফিনহা ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্কোর ২-০ করেন এবং ভক্তদের মধ্যে প্রত্যাশার সঞ্চার করেন। বিরতি পরেও আক্রমণের জবাব দিতে থাকে বার্সা। ৭২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর পরিশ্রমী পাস থেকে মারক বার্নাল দুর্দান্ত ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন, যা দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরানোর স্বপ্নকে আরও জোরালো করে।

তবুও প্রথম লেগে করা চার গোলের ঘাটতি পুষিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয় দল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় তাদের পথ শেষ হয়ে যায় এবং হতাশা নিয়ে মাঠ ত্যাগ করতে হয় খেলোয়াড়দের।

ম্যাচ শেষে রাফিনহা দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করলেও ফাইনালে খেলতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জুয়ান মুসো স্বীকার করেছেন যে টানা ভালো পারফরম্যান্স হয়নি, তবুও শেষপর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো ম্যাচে বার্সায় সুযোগ থাকলেও ফিনিশিং বারবার ব্যর্থ হওয়া এবং অ্যাটলেটিকোর কৌশলী রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা শেষে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।