১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপের প্রাইজমানি এখনও বকেয়া

মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার দেড় মাস পেরিয়েও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল তাদের প্রাপ্য প্রাইজমানি পাননি। যদিও চলতি সপ্তাহে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স মতো কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের ক্রিকেটারদের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ করে তাত্ত্বিক শঙ্কা কিছুটা কমিয়েছে, তবু টুর্নামেন্টের সেরা দুই দলের পুরস্কারের অর্থ এখনও আটকে রয়েছে।

এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পাবেন ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর রানার্সআপ চট্টগ্রাম রয়্যালসের পাওনা ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। দলগুলো প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সময়মতো জমা দিলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই অর্থ হস্তান্তর করেনি।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, প্রাইজমানি হস্তান্তরের সকল দাপ্তরিক প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সব নথি প্রস্তুত আছে এবং খুব দ্রুতই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে তাদের প্রাপ্য পরিশোধ করা হবে—তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে আসন্ন ঈদের আগে টাকা পৌঁছে যাবে। তিনি জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী রানার্সআপ দলের ক্রিকেটাররা মোট প্রাইজমানির ৪০ শতাংশ ভাগ পাবেন।

অন্যদিকে, গত ২০২৫ মৌসুমে বিপিএল থেকে বিসিবি যে লভ্যাংশ সংগ্রহ করেছিল তার একটি অংশ তখন ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দেওয়া হয়েছিল। তবে এবারের টুর্নামেন্টে সেই লভ্যাংশের বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে; সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে এবার লভ্যাংশ না পাওয়া সম্ভবত বেশি, আর পেলে তা খুবই সীমিত পরিমাণে হবে।

চূড়ান্ত প্রাইজমানি না পেয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আর্থিক দিক থেকে চাপের সম্মুখীন হতে পারে; বিশেষ করে যারা খেলোয়াড়দের বেতন ও ক্লাব পরিচালনায় পুরোনো দায় মেটাতে নির্ভরশীল। বোর্ডের তরফ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আগামী কার্যক্রম ও দলীয় পরিকল্পনায় বাধা দেখা দিতে পারে।

অবস্থা পরিষ্কার করার জন্য বোর্ড ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে চূড়ান্ত সমন্বয় দ্রুত erwartet হচ্ছে, যাতে ক্রিকেটাররা ও দলগুলো তাদের প্রাপ্য অর্থ সময়মতো পেয়ে মৌসুমের বিশ্রাম ও পরবর্তী প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে চালিয়ে নিতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপের প্রাইজমানি এখনও বকেয়া

প্রকাশিতঃ ০৮:২২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার দেড় মাস পেরিয়েও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল তাদের প্রাপ্য প্রাইজমানি পাননি। যদিও চলতি সপ্তাহে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স মতো কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের ক্রিকেটারদের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ করে তাত্ত্বিক শঙ্কা কিছুটা কমিয়েছে, তবু টুর্নামেন্টের সেরা দুই দলের পুরস্কারের অর্থ এখনও আটকে রয়েছে।

এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পাবেন ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর রানার্সআপ চট্টগ্রাম রয়্যালসের পাওনা ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। দলগুলো প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সময়মতো জমা দিলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই অর্থ হস্তান্তর করেনি।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, প্রাইজমানি হস্তান্তরের সকল দাপ্তরিক প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সব নথি প্রস্তুত আছে এবং খুব দ্রুতই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে তাদের প্রাপ্য পরিশোধ করা হবে—তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে আসন্ন ঈদের আগে টাকা পৌঁছে যাবে। তিনি জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী রানার্সআপ দলের ক্রিকেটাররা মোট প্রাইজমানির ৪০ শতাংশ ভাগ পাবেন।

অন্যদিকে, গত ২০২৫ মৌসুমে বিপিএল থেকে বিসিবি যে লভ্যাংশ সংগ্রহ করেছিল তার একটি অংশ তখন ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দেওয়া হয়েছিল। তবে এবারের টুর্নামেন্টে সেই লভ্যাংশের বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে; সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে এবার লভ্যাংশ না পাওয়া সম্ভবত বেশি, আর পেলে তা খুবই সীমিত পরিমাণে হবে।

চূড়ান্ত প্রাইজমানি না পেয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আর্থিক দিক থেকে চাপের সম্মুখীন হতে পারে; বিশেষ করে যারা খেলোয়াড়দের বেতন ও ক্লাব পরিচালনায় পুরোনো দায় মেটাতে নির্ভরশীল। বোর্ডের তরফ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আগামী কার্যক্রম ও দলীয় পরিকল্পনায় বাধা দেখা দিতে পারে।

অবস্থা পরিষ্কার করার জন্য বোর্ড ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে চূড়ান্ত সমন্বয় দ্রুত erwartet হচ্ছে, যাতে ক্রিকেটাররা ও দলগুলো তাদের প্রাপ্য অর্থ সময়মতো পেয়ে মৌসুমের বিশ্রাম ও পরবর্তী প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে চালিয়ে নিতে পারে।