০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে জামায়াত

ঢাকা, রোববার — ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদ ও দেশটিতে চলমান সামরিক হামলার তীব্র নিন্দায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রবিবার দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে দলটির নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানে হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা না হলে জামায়াতে ইসলামী ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। পাশাপাশি তিনি মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান।

সমাবেশে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে এই ধরনের বর্বরোচিত হামলা সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রবিরোধী। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে সুষ্ঠু ও ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ এসব সংস্থাকে প্রত্যাখ্যান করবে। বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

দলের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মুসলিম বিশ্বে এমন আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে খামেনি হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রস্তাব নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার তীব্র নিন্দাও জানানো হয়। মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তারা অভিযোগ করেন যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের পরিকল্পনা মুসলিম দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। খামেনি হত্যার ঘটনা শুধু ইরানের জন্য নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর ওপর একটি বড় আঘাত হিসেবে তারা এটিকে আখ্যা দেন এবং মুসলিম নেতৃবৃন্দকে ভেদাভেদ ভুলে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু করে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিরোধী নানা স্লোগান দিতে দেখা যায় এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার জানান জামায়াত কর্মীরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে জামায়াত

প্রকাশিতঃ ০৮:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকা, রোববার — ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদ ও দেশটিতে চলমান সামরিক হামলার তীব্র নিন্দায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রবিবার দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে দলটির নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানে হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা না হলে জামায়াতে ইসলামী ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। পাশাপাশি তিনি মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের আহ্বান জানান।

সমাবেশে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে এই ধরনের বর্বরোচিত হামলা সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রবিরোধী। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে সুষ্ঠু ও ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ এসব সংস্থাকে প্রত্যাখ্যান করবে। বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

দলের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মুসলিম বিশ্বে এমন আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে খামেনি হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রস্তাব নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার তীব্র নিন্দাও জানানো হয়। মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তারা অভিযোগ করেন যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের পরিকল্পনা মুসলিম দেশগুলোকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। খামেনি হত্যার ঘটনা শুধু ইরানের জন্য নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর ওপর একটি বড় আঘাত হিসেবে তারা এটিকে আখ্যা দেন এবং মুসলিম নেতৃবৃন্দকে ভেদাভেদ ভুলে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু করে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিরোধী নানা স্লোগান দিতে দেখা যায় এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার জানান জামায়াত কর্মীরা।