০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ভালভার্দের শেষ মুহূর্তের গোলের 힘েই রিয়ালের ঘাম ঝরানো জয়

টানা দুই ম্যাচ হারের পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগার রোমাঞ্চঘন ম্যাচে সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে আলভারো আলবেলোয়ার শিবিরে। যদিও ফল রিয়ালের পক্ষে গেল, পুরো ম্যাচে দলটির খেলা ছিল খানিকটা ছন্নছাড়া এবং অনেকটাই ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল।

ইনজুরিতে জনরহিত রিয়াল ৪-৩-৩ ব্যবস্থায় নামায়; আক্রমণে ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ব্রাহিম দিয়াজ ও আর্দা গুলার। ম্যাচে বল দখলে রাখার হার ছিল ৬৩ শতাংশ, তবু গোলের সামনে চাপ গড়াতে বারবার ব্যর্থ হয় তারা। বিপরীতে সেল্টা পাল্টা আক্রমণে বারবার রিয়ালের রক্ষণভাগকে কষ্ট দেয়; যদি না থাকতেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া, ততোক্ষণে স্কোরলাইন ভিন্ন হতে পারত।

খেলাটি শুরু থেকেই উন্মুক্ত রূপ নেয়। ১১ মিনিটে ফরাসি মিডফিল্ডার অঁরেলিয়ে চুয়ামেনি রিয়ালকে এগিয়ে দেন—আর্দা গুলারের পাসটি ব্যবহার করে তিনি জোরালো শটে বল জালে জড়ান। তবে রিয়ালের প্রধান উদযাপন দীর্ঘ স্থায়ী হয়নি; ২৫ মিনিটে উইলিয়ট সোয়েডবার্গের পাস থেকে বোরজা ইগলেসিয়াস দুর্দান্ত ফিনিশ করে সমতা বলেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে সোয়েডবার্গের আরেকটি শট কোর্তোয়া অসাধারণভাবে রুখে দেন এবং দুই দলের মধ্যে সমতায় বিরতি হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের ছন্দ ফিরছিল না। ম্যাচের প্রায় শেষভাগে—৮৭ মিনিটে—ইয়াগো আসপাসের শট পোস্টে লেগে ফিরে গেলে রিয়াল আরও চিন্তার মধ্যে পড়ে। ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই যোগ করা সময়ের পাঁচ মিনিটে নাটক ঘটে। বক্সের বাইরে থেকে ফেদে ভালভার্দের নেওয়া একটি শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে লাগায় এবং দিক বদলে সরাসরি জালে গিয়ে জয়সূচক গোলে পরিণত হয়। মাঠে মুহূর্তেই উল্লাসের স্রোত ছড়িয়ে পড়ে রিয়াল শিবিরে।

পরিসংখ্যান সবকিছু বলছে না—রিয়াল মোট ১৪টি শট নিলেও মাত্র ৩টি লক্ষ্যে গিয়েছিল—তবু এই জয় তাদের লা লিগা শিরোপা দৌরে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। ২৭ ম্যাচ শেষে রিয়ালের সংগ্রহ ৬৩ পয়েন্ট, ফলে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে; এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে।

রিয়ালের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—এই নাটকীয় জয়ের ধারাকে ধরে রাখতে পারবে কি তারা। পারফরম্যান্সে সংহতি ও ধারাবাহিকতা ছাড়া সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা আছে, এবং সেটা নিয়েই এখন তাদের নজর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ভালভার্দের শেষ মুহূর্তের গোলের 힘েই রিয়ালের ঘাম ঝরানো জয়

প্রকাশিতঃ ১১:২৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

টানা দুই ম্যাচ হারের পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগার রোমাঞ্চঘন ম্যাচে সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে আলভারো আলবেলোয়ার শিবিরে। যদিও ফল রিয়ালের পক্ষে গেল, পুরো ম্যাচে দলটির খেলা ছিল খানিকটা ছন্নছাড়া এবং অনেকটাই ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল।

ইনজুরিতে জনরহিত রিয়াল ৪-৩-৩ ব্যবস্থায় নামায়; আক্রমণে ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ব্রাহিম দিয়াজ ও আর্দা গুলার। ম্যাচে বল দখলে রাখার হার ছিল ৬৩ শতাংশ, তবু গোলের সামনে চাপ গড়াতে বারবার ব্যর্থ হয় তারা। বিপরীতে সেল্টা পাল্টা আক্রমণে বারবার রিয়ালের রক্ষণভাগকে কষ্ট দেয়; যদি না থাকতেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া, ততোক্ষণে স্কোরলাইন ভিন্ন হতে পারত।

খেলাটি শুরু থেকেই উন্মুক্ত রূপ নেয়। ১১ মিনিটে ফরাসি মিডফিল্ডার অঁরেলিয়ে চুয়ামেনি রিয়ালকে এগিয়ে দেন—আর্দা গুলারের পাসটি ব্যবহার করে তিনি জোরালো শটে বল জালে জড়ান। তবে রিয়ালের প্রধান উদযাপন দীর্ঘ স্থায়ী হয়নি; ২৫ মিনিটে উইলিয়ট সোয়েডবার্গের পাস থেকে বোরজা ইগলেসিয়াস দুর্দান্ত ফিনিশ করে সমতা বলেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে সোয়েডবার্গের আরেকটি শট কোর্তোয়া অসাধারণভাবে রুখে দেন এবং দুই দলের মধ্যে সমতায় বিরতি হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের ছন্দ ফিরছিল না। ম্যাচের প্রায় শেষভাগে—৮৭ মিনিটে—ইয়াগো আসপাসের শট পোস্টে লেগে ফিরে গেলে রিয়াল আরও চিন্তার মধ্যে পড়ে। ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই যোগ করা সময়ের পাঁচ মিনিটে নাটক ঘটে। বক্সের বাইরে থেকে ফেদে ভালভার্দের নেওয়া একটি শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে লাগায় এবং দিক বদলে সরাসরি জালে গিয়ে জয়সূচক গোলে পরিণত হয়। মাঠে মুহূর্তেই উল্লাসের স্রোত ছড়িয়ে পড়ে রিয়াল শিবিরে।

পরিসংখ্যান সবকিছু বলছে না—রিয়াল মোট ১৪টি শট নিলেও মাত্র ৩টি লক্ষ্যে গিয়েছিল—তবু এই জয় তাদের লা লিগা শিরোপা দৌরে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। ২৭ ম্যাচ শেষে রিয়ালের সংগ্রহ ৬৩ পয়েন্ট, ফলে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে; এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে।

রিয়ালের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—এই নাটকীয় জয়ের ধারাকে ধরে রাখতে পারবে কি তারা। পারফরম্যান্সে সংহতি ও ধারাবাহিকতা ছাড়া সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা আছে, এবং সেটা নিয়েই এখন তাদের নজর।