০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতি-সুদের হ্রাস চান ডিসিসিআই সভাপতি

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ আজ রবিবার সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও নীতি সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার দাবি জানান এবং নীতি সুদের হার ক্রমান্বয়ে হ্রাসের সুপারিশ করেছেন যাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে উৎসাহ বাড়ে। তিনি প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সহায়তায় ঋণ পুনঃতফসিলের নীতিসমূহ পুনর্বিবেচনা ও শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বানও জানান। এসব পরিবর্তন আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ফেরাতে এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করতে সহায়ক হবে বলে তার বক্তব্য ছিল।

সভায় তাসকীন আহমেদ বলেন, “মুদ্রানীতি, রাজস্বনীতি এবং কাঠামোগত সংস্কারের সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।” তিনি নীতিগত পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকারি-ব্যবসায়ী পর্যায়ের সমন্বয় ও ধারাবাহিকতা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি হলো বেসরকারি খাত। চলমান সরকার শিল্প, ব্যবসা ও বিনিয়োগকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বেসরকারি খাতের ভূমিকা অপরিসীম। মন্ত্রী আরও বলেন, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানালেন যে বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান বাড়ানোও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে ডিসিসিআই-এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও নীতি সংশ্লিষ্ট এ ধরনের আলোচনা ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতি-সুদের হ্রাস চান ডিসিসিআই সভাপতি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ আজ রবিবার সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও নীতি সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার দাবি জানান এবং নীতি সুদের হার ক্রমান্বয়ে হ্রাসের সুপারিশ করেছেন যাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে উৎসাহ বাড়ে। তিনি প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সহায়তায় ঋণ পুনঃতফসিলের নীতিসমূহ পুনর্বিবেচনা ও শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বানও জানান। এসব পরিবর্তন আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ফেরাতে এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করতে সহায়ক হবে বলে তার বক্তব্য ছিল।

সভায় তাসকীন আহমেদ বলেন, “মুদ্রানীতি, রাজস্বনীতি এবং কাঠামোগত সংস্কারের সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।” তিনি নীতিগত পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকারি-ব্যবসায়ী পর্যায়ের সমন্বয় ও ধারাবাহিকতা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি হলো বেসরকারি খাত। চলমান সরকার শিল্প, ব্যবসা ও বিনিয়োগকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বেসরকারি খাতের ভূমিকা অপরিসীম। মন্ত্রী আরও বলেন, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানালেন যে বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান বাড়ানোও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে ডিসিসিআই-এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও নীতি সংশ্লিষ্ট এ ধরনের আলোচনা ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।