১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর এক মাসেরও কম সময়ে জনগণের প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার প্রায় ১৫ হাজার নারীর জন্য ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। তিনি জানান, আমার সরকার দরকারের সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সব পরিবারের কাছে এই কার্যক্রম পৌঁছে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই এলাকার ১৭ জন নারীর হাতে কার্ডের কপি তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে, যেখানে ভাসানটেক এবং কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ওই দিন তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, আমরা একটি দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে জনগণের পাশে থাকব এবং তাদের জন্য কাজ করব। নির্বাচনের সময় আমরা বলেছিলাম যে, সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ের মধ্যে আমরা জনগণের কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি, অর্থাৎ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজ শুরু করেছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী মাসে কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ডের কার্যক্রমও শুরু হবে, যা তারা নিজেরা পাবেন। গত সপ্তাহে দেশের কৃষকদের জন্য সুদসহ কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের নির্দেশে আমরা নির্বাচিত হয়েছি এবং আমাদের দায়িত্ব জবাবদিহি করা। এ অনুষ্ঠানে ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যগুলি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা, দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরা এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ। ঘোষণা দেওয়া হয়, প্রথম পর্যায়ে এই কর্মসূচি দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে চালু হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং তালিকা চূড়ান্ত করবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ যেন আরও সহজে নিজের অধিকার ও সুবিধাগুলোর কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেটাই লক্ষ্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রীর এক মাসেরও কম সময়ে জনগণের প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার প্রায় ১৫ হাজার নারীর জন্য ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। তিনি জানান, আমার সরকার দরকারের সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সব পরিবারের কাছে এই কার্যক্রম পৌঁছে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই এলাকার ১৭ জন নারীর হাতে কার্ডের কপি তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে, যেখানে ভাসানটেক এবং কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ওই দিন তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, আমরা একটি দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে জনগণের পাশে থাকব এবং তাদের জন্য কাজ করব। নির্বাচনের সময় আমরা বলেছিলাম যে, সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ের মধ্যে আমরা জনগণের কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি, অর্থাৎ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজ শুরু করেছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী মাসে কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ডের কার্যক্রমও শুরু হবে, যা তারা নিজেরা পাবেন। গত সপ্তাহে দেশের কৃষকদের জন্য সুদসহ কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের নির্দেশে আমরা নির্বাচিত হয়েছি এবং আমাদের দায়িত্ব জবাবদিহি করা। এ অনুষ্ঠানে ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যগুলি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা, দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরা এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ। ঘোষণা দেওয়া হয়, প্রথম পর্যায়ে এই কর্মসূচি দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে চালু হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং তালিকা চূড়ান্ত করবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ যেন আরও সহজে নিজের অধিকার ও সুবিধাগুলোর কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেটাই লক্ষ্য।