০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান

বাংলাদেশ প্রত্যাশিত রূপে গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার — এ আহ্বান জানিয়ে সবার সহযোগিতাও চাইলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সার্কিট হাউস মাঠে সুধীসমাজের সম্মানে আয়োজিত ইফতারী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, সেটার ক্ষত সারাতে সময় লাগবে। তাই দেশে উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে সবাইকে ধৈর্যধারণ করার অনুরোধও জানান তিনি।

একই দিনে দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের উদ্যোগ উদ্বোধন করেন তিনি। এই খাল খনন কর্মসূচি দেশব্যাপী ‘নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির অংশ। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি বৃক্ষরোপণও করা হয়।

জনসভায় তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্যই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন — সেই লক্ষ্যের প্রতিফলনেই সরকার নীতি গ্রহণ করছে। সাহাপাড়া খাল খনন শেষ হলে এ এলাকার ৩১ হাজার কৃষক পানির সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সম্ভব হবে। সরাসরি প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ এই খাল থেকে সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও জানান, বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। মৌলিক খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে খাল খননের পাশাপাশি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষকদের জন্য আগামী মাস থেকেই ‘কৃষক কার্ড’ চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মতোই বর্তমান সরকারও কৃষকবান্ধব নীতি অবলম্বন করছে। উত্তরে কৃষিনির্ভরতা বিবেচনায় ঐ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে ঈদের পর সংশ্লিষ্ট বণিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে ঘিরে বলা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের ৫৪ জেলায় এই কর্মসূচি শুরু করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ অন্যান্যরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ প্রত্যাশিত রূপে গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার — এ আহ্বান জানিয়ে সবার সহযোগিতাও চাইলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সার্কিট হাউস মাঠে সুধীসমাজের সম্মানে আয়োজিত ইফতারী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, সেটার ক্ষত সারাতে সময় লাগবে। তাই দেশে উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে সবাইকে ধৈর্যধারণ করার অনুরোধও জানান তিনি।

একই দিনে দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের উদ্যোগ উদ্বোধন করেন তিনি। এই খাল খনন কর্মসূচি দেশব্যাপী ‘নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির অংশ। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি বৃক্ষরোপণও করা হয়।

জনসভায় তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্যই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন — সেই লক্ষ্যের প্রতিফলনেই সরকার নীতি গ্রহণ করছে। সাহাপাড়া খাল খনন শেষ হলে এ এলাকার ৩১ হাজার কৃষক পানির সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সম্ভব হবে। সরাসরি প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ এই খাল থেকে সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও জানান, বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। মৌলিক খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে খাল খননের পাশাপাশি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষকদের জন্য আগামী মাস থেকেই ‘কৃষক কার্ড’ চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মতোই বর্তমান সরকারও কৃষকবান্ধব নীতি অবলম্বন করছে। উত্তরে কৃষিনির্ভরতা বিবেচনায় ঐ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে ঈদের পর সংশ্লিষ্ট বণিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে ঘিরে বলা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের ৫৪ জেলায় এই কর্মসূচি শুরু করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ অন্যান্যরা।