০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদের ভোরে তেহরান কেঁপে উঠল একাধিক বিস্ফোরণে

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ভোরে তেহরান একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। শনিবার (২১ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।

ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ জানিয়েছে, দেশের নানা অঞ্চলে ঈদ উদ্‌যাপনের মাঝেই রাজধানীর একাধিক স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কথা জানালা সত্ত্বেও হতাহতের পরিমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য সেই মুহূর্তে পাওয়া যায়নি।

ভয়েস অব আমেরিকার ফার্সি বিভাগের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের একবাতান এলাকায় অবস্থিত আজাদি টাওয়ার ও অলিম্পিক ভিলেজের এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া মাজান্দারান প্রদেশের পাহাড়ি কেলারদাশতেও স্থানীয়রা তীব্র বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনেছেন, এমনই জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছিল, বৈরুতের হামলার পর তারা ইরানের রাজধানীর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দাবি করেছে। এসব বিবরণ মিলে পরিস্থিতি আরও টানটান হয়ে ওঠার শঙ্কা রয়েছ।

ঘটনার সময়ও আলাদা জরুরি তাৎপর্য বহন করছিল—ইরানি পরিবারগুলো রমজানের শেষ দিন ও ফার্সি নববর্ষ নওরোজ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকাকালীন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এসব সংঘটিত হয়, ফলে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে পড়ে ভয় ও অনিশ্চয়তায়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গতিবিধিতেও কড়া শৈলী দেখা গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতিতে তার আগ্রহ নেই এবং ‘প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি ধ্বংস করার’ কথাকে তিনি সমর্থনযোগ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেছেন—যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বিশেষ করে চীন ও জাপানের অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সর্বশেষ খবরগুলোতে আরও বলা হয়েছে, ইরানি পক্ষ ড্রোন প্রতিরোধে ইউক্রেনের ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করছে—এ ধরনের প্রযুক্তিগত অভিযোজনও এই সংঘাতকে জটিল করে তুলছে।

সব মিলিয়ে ঈদের সকালে তেহরানে ঘটানো এসব বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতার নতুন সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরণের হুমকি ছড়াতে পারে। পরিস্থিতি নিরীক্ষণের নির্দেশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে আরও তথ্য আদায়ে কাজ চলছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদের ভোরে তেহরান কেঁপে উঠল একাধিক বিস্ফোরণে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ভোরে তেহরান একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। শনিবার (২১ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।

ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ জানিয়েছে, দেশের নানা অঞ্চলে ঈদ উদ্‌যাপনের মাঝেই রাজধানীর একাধিক স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কথা জানালা সত্ত্বেও হতাহতের পরিমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য সেই মুহূর্তে পাওয়া যায়নি।

ভয়েস অব আমেরিকার ফার্সি বিভাগের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের একবাতান এলাকায় অবস্থিত আজাদি টাওয়ার ও অলিম্পিক ভিলেজের এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া মাজান্দারান প্রদেশের পাহাড়ি কেলারদাশতেও স্থানীয়রা তীব্র বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনেছেন, এমনই জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছিল, বৈরুতের হামলার পর তারা ইরানের রাজধানীর সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দাবি করেছে। এসব বিবরণ মিলে পরিস্থিতি আরও টানটান হয়ে ওঠার শঙ্কা রয়েছ।

ঘটনার সময়ও আলাদা জরুরি তাৎপর্য বহন করছিল—ইরানি পরিবারগুলো রমজানের শেষ দিন ও ফার্সি নববর্ষ নওরোজ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকাকালীন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এসব সংঘটিত হয়, ফলে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে পড়ে ভয় ও অনিশ্চয়তায়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গতিবিধিতেও কড়া শৈলী দেখা গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতিতে তার আগ্রহ নেই এবং ‘প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি ধ্বংস করার’ কথাকে তিনি সমর্থনযোগ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেছেন—যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বিশেষ করে চীন ও জাপানের অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সর্বশেষ খবরগুলোতে আরও বলা হয়েছে, ইরানি পক্ষ ড্রোন প্রতিরোধে ইউক্রেনের ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করছে—এ ধরনের প্রযুক্তিগত অভিযোজনও এই সংঘাতকে জটিল করে তুলছে।

সব মিলিয়ে ঈদের সকালে তেহরানে ঘটানো এসব বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতার নতুন সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরণের হুমকি ছড়াতে পারে। পরিস্থিতি নিরীক্ষণের নির্দেশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে আরও তথ্য আদায়ে কাজ চলছে।