০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক তরুণ কর্মসংস্থানের বাইরে

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশে গত এক দশকে শ্রমবাজারে ঢুকা বিপুলসংখ্যক তরুণের প্রায় অর্ধেকই এখনো চাকরি পাচ্ছে না। নারী তরুণদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিশেষভাবে বেশি কঠিন বলে তাদের সতর্কতা।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে ওই দিন তিনি ঢাকা ছাড়েন।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। একই সময় নতুনভাবে সৃষ্টি হওয়া কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ। ফলে এক বড় অংশ কর্মহীন থেকে গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ বাড়াতে পারে। বিশেষভাবে নারীরা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে জানানো হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীয়ের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, কাজের সুযোগ বাড়ানো এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়।

জাট বলেন, সরকার বড় পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংক সেই প্রচেষ্টা জোরদার করে সহযোগিতা করবে — বিশেষত যুব ও নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে।

বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক আরও উল্লেখ করে যে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তিনি সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিশ্বব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক তরুণ কর্মসংস্থানের বাইরে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশে গত এক দশকে শ্রমবাজারে ঢুকা বিপুলসংখ্যক তরুণের প্রায় অর্ধেকই এখনো চাকরি পাচ্ছে না। নারী তরুণদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিশেষভাবে বেশি কঠিন বলে তাদের সতর্কতা।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে ওই দিন তিনি ঢাকা ছাড়েন।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। একই সময় নতুনভাবে সৃষ্টি হওয়া কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ। ফলে এক বড় অংশ কর্মহীন থেকে গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ বাড়াতে পারে। বিশেষভাবে নারীরা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে জানানো হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীয়ের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, কাজের সুযোগ বাড়ানো এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়।

জাট বলেন, সরকার বড় পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংক সেই প্রচেষ্টা জোরদার করে সহযোগিতা করবে — বিশেষত যুব ও নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে।

বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক আরও উল্লেখ করে যে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তিনি সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিশ্বব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।