০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রেকর্ড দর্শকের সামনে জাপান চ্যাম্পিয়ান; স্বপ্নভঙ্গ অস্ট্রেলিয়া

জাপান নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব আবারও প্রতিষ্ঠা করেছে। শনিবার (২১ মার্চ) অনুষ্ঠিত ফাইনালে টুর্নামেন্টের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে জাপান গত চার আসরের মধ্যে তৃতীয়বার শিরোপা জিতে নিল।

গ্যালরিতে উপস্থিত ছিলেন রেকর্ডসংখ্যক ৭৪,৩৫৭ জন দর্শক, যা নারী এশিয়ান কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ঘরের মাঠের বিপুল সমর্থনও অস্ট্রেলিয়ার স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থ হল; শেষ পর্যন্ত জাপানের দৃঢ় রক্ষণভাগ ও একচেটিয়া আঘাতই নির্ধারণ করে ম্যাচের ভাগ্য।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রথমার্ধেই নিজের ঝাঁকুনিতে বদলে দেয় জাপান। ১৭তম মিনিটে জাপানি ফরোয়ার্ড মাইকা হামানো ডি-বক্স থেকে চমৎকার এক টার্ন পরে জোরালো শট নিয়ে বল জালে ঠেকিয়ে দেন। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড সেভ করতে না পেরে দলের পক্ষে গোলরোধ করা যায়নি।

পিছিয়ে পড়ার পর ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া তীব্রভাবে লড়াই করে সমতা আনার চেষ্টা করে। দলের স্টার স্ট্রাইকার স্যাম কারকে জাপানি রক্ষণভাগ কড়া মার্কিংয়ে রাখে, ফলে তার প্রভাব সীমিত থাকে। ক্যাটলিন ফোর্ড Several সুয়োগ হাতছাড়া করেন এবং ফিনিশিংয়ে ঘাটতি জনিত কারণে তারা ফিরে আসতে পারে না।

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া মরিয়া আগ্রাসনে যায়। বদলি এমিলি ভ্যান এগমন্ডের একের পর এক আক্রমণ থামায় জাপানের ডিফেন্স, আর শেষ মুহূর্তে আলানা কেনেডির একটি দুরন্ত হেড জাপানি গোলরক্ষক আয়াকা ইয়ামাশিতা অসাধারণ দক্ষতায় সেভ করেন।

সশস্ত্র সমর্থকের সামনে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা আবেগে ভেঙে পড়েন, অপরপক্ষে সাতম বার ফাইনাল খেলেই তৃতীয়বার জয় উদযাপন করে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জাপান। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর ২০২৬ সালে জাপানের এই ট্রফি জয় এশিয়ান ফুটবলে তাদের শক্ত অবস্থান আরও একবার প্রমাণ করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রেকর্ড দর্শকের সামনে জাপান চ্যাম্পিয়ান; স্বপ্নভঙ্গ অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

জাপান নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব আবারও প্রতিষ্ঠা করেছে। শনিবার (২১ মার্চ) অনুষ্ঠিত ফাইনালে টুর্নামেন্টের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে জাপান গত চার আসরের মধ্যে তৃতীয়বার শিরোপা জিতে নিল।

গ্যালরিতে উপস্থিত ছিলেন রেকর্ডসংখ্যক ৭৪,৩৫৭ জন দর্শক, যা নারী এশিয়ান কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ঘরের মাঠের বিপুল সমর্থনও অস্ট্রেলিয়ার স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থ হল; শেষ পর্যন্ত জাপানের দৃঢ় রক্ষণভাগ ও একচেটিয়া আঘাতই নির্ধারণ করে ম্যাচের ভাগ্য।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রথমার্ধেই নিজের ঝাঁকুনিতে বদলে দেয় জাপান। ১৭তম মিনিটে জাপানি ফরোয়ার্ড মাইকা হামানো ডি-বক্স থেকে চমৎকার এক টার্ন পরে জোরালো শট নিয়ে বল জালে ঠেকিয়ে দেন। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড সেভ করতে না পেরে দলের পক্ষে গোলরোধ করা যায়নি।

পিছিয়ে পড়ার পর ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া তীব্রভাবে লড়াই করে সমতা আনার চেষ্টা করে। দলের স্টার স্ট্রাইকার স্যাম কারকে জাপানি রক্ষণভাগ কড়া মার্কিংয়ে রাখে, ফলে তার প্রভাব সীমিত থাকে। ক্যাটলিন ফোর্ড Several সুয়োগ হাতছাড়া করেন এবং ফিনিশিংয়ে ঘাটতি জনিত কারণে তারা ফিরে আসতে পারে না।

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া মরিয়া আগ্রাসনে যায়। বদলি এমিলি ভ্যান এগমন্ডের একের পর এক আক্রমণ থামায় জাপানের ডিফেন্স, আর শেষ মুহূর্তে আলানা কেনেডির একটি দুরন্ত হেড জাপানি গোলরক্ষক আয়াকা ইয়ামাশিতা অসাধারণ দক্ষতায় সেভ করেন।

সশস্ত্র সমর্থকের সামনে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা আবেগে ভেঙে পড়েন, অপরপক্ষে সাতম বার ফাইনাল খেলেই তৃতীয়বার জয় উদযাপন করে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জাপান। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর ২০২৬ সালে জাপানের এই ট্রফি জয় এশিয়ান ফুটবলে তাদের শক্ত অবস্থান আরও একবার প্রমাণ করে।