০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মিডিয়া কমিটি থেকে সরানোর পর বিসিবি পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আমজাদ হোসেন

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির নীরবতা কেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নতুন এক নাটকীয় ঘটনা শুরু হয়েছিল—ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আমজাদ হোসেন। সোমবার (২৩ মার্চ) বিসিবি সভাপতির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠিয়ে তিনি তার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বলে বোর্ডের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগটি ঘটেছে ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, যখন তাঁর কাছ থেকে হঠাৎ করে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানপদটি প্রত্যাহার করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় বিসিবি তাকে মিডিয়া কমিটির সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে মোখছেদুল কামাল বাবুকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মোখছেদুল কামাল বাবু আগে ওই কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি বিসিবির ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্বেও যুক্ত আছেন।

আমজাদ হোসেন গত বছরের অক্টোবর মাসে মিডিয়া কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। বোর্ডের তরফ থেকে কেন তাকে হঠাৎ ওই পদ থেকে সরানো হয়েছে তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁর পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করলেও ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানপদ থেকে সরিয়ে দেওয়াটাই পদত্যাগের প্রধান প্রেক্ষাপট বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঈদের সময় অধিকাংশ শীর্ষ ক্রিকেটার ও বিসিবির কর্মকর্তারা ছুটিতে থাকায় এই খবর ক্রীড়া মহলে দ্রুত গুঞ্জন এবং চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—একজন প্রভাবশালী পরিচালকের এই সরাসরি বিদায় বোর্ডের নীতিনির্ধারণী স্তরে কি কোনো সংস্কার বা নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

পদত্যাগের ফলে খালি হওয়া পরিচালকপদে কে নিয়োগ পাবেন এবং বোর্ডের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও কাঠামোতে আরও কোনো বড় রদবদল হবে কি না—এসব এখনই নজরে আসে। বিসিবির প্রতিক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সংঘটিত পরিবর্তনগুলো নিয়েই ক্রীড়া পরামর্শক মহলে আলোচনা চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ঈদের এই সময়ে বিসিবির অন্দরগঠনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা দেশের ক্রিকেট প্রশাসনিক ভবিষ্যতকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে নিয়ে এসেছে এবং আগামী দিনগুলোতে বোর্ডের সিদ্ধান্তগুলোকে বিশেষভাবে নজরদারি করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মিডিয়া কমিটি থেকে সরানোর পর বিসিবি পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আমজাদ হোসেন

প্রকাশিতঃ ০২:২২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির নীরবতা কেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নতুন এক নাটকীয় ঘটনা শুরু হয়েছিল—ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আমজাদ হোসেন। সোমবার (২৩ মার্চ) বিসিবি সভাপতির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠিয়ে তিনি তার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বলে বোর্ডের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগটি ঘটেছে ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, যখন তাঁর কাছ থেকে হঠাৎ করে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানপদটি প্রত্যাহার করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় বিসিবি তাকে মিডিয়া কমিটির সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে মোখছেদুল কামাল বাবুকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মোখছেদুল কামাল বাবু আগে ওই কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি বিসিবির ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্বেও যুক্ত আছেন।

আমজাদ হোসেন গত বছরের অক্টোবর মাসে মিডিয়া কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। বোর্ডের তরফ থেকে কেন তাকে হঠাৎ ওই পদ থেকে সরানো হয়েছে তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁর পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করলেও ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানপদ থেকে সরিয়ে দেওয়াটাই পদত্যাগের প্রধান প্রেক্ষাপট বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঈদের সময় অধিকাংশ শীর্ষ ক্রিকেটার ও বিসিবির কর্মকর্তারা ছুটিতে থাকায় এই খবর ক্রীড়া মহলে দ্রুত গুঞ্জন এবং চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—একজন প্রভাবশালী পরিচালকের এই সরাসরি বিদায় বোর্ডের নীতিনির্ধারণী স্তরে কি কোনো সংস্কার বা নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

পদত্যাগের ফলে খালি হওয়া পরিচালকপদে কে নিয়োগ পাবেন এবং বোর্ডের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও কাঠামোতে আরও কোনো বড় রদবদল হবে কি না—এসব এখনই নজরে আসে। বিসিবির প্রতিক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সংঘটিত পরিবর্তনগুলো নিয়েই ক্রীড়া পরামর্শক মহলে আলোচনা চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ঈদের এই সময়ে বিসিবির অন্দরগঠনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা দেশের ক্রিকেট প্রশাসনিক ভবিষ্যতকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে নিয়ে এসেছে এবং আগামী দিনগুলোতে বোর্ডের সিদ্ধান্তগুলোকে বিশেষভাবে নজরদারি করা হবে।