১১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন — বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক রাষ্ট্র-রাষ্ট্র মডেলের উদাহরণ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীনের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং পৃথক অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই দিনে চীনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান।

শি জিনপিং তার বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, দুই দেশ কেবল ভালো প্রতিবেশী নয়, বরং অকৃত্রিম বন্ধু এবং বিশ্বস্ত অংশীদার; দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। শি উল্লেখ করেন, ঢাকা ও বেইজিংয়ের এই সুসম্পর্ক বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি আদর্শ মডেল তুলে ধরেছে।

রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বার্তায় ব্যক্তিগতভাবে এবং চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে উচ্চ অগ্রাধিক্য দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি দুপক্ষের রাজনৈতিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংও একই দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়ে দুই দেশের উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। ওয়াং ইর অভিনন্দন বার্তার কথাগুলোতেও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক অগ্রগতির প্রতি ইতিবাচক প্রতিফলন পাওয়া গেছে।

বেইজিং এই বার্তাগুলোতে আশা করেছে যে ভবিষ্যতে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও টেকসই ও শক্তিশালী হবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন স্বাধীনতা দিবসে শীর্ষ চীনা নেতাদের এই উচ্চপর্যায়ের অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের মধ্যকার গভীর কূটনৈতিক সম্পৃক্ততারই প্রতিফলন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন — বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক রাষ্ট্র-রাষ্ট্র মডেলের উদাহরণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীনের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং পৃথক অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই দিনে চীনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান।

শি জিনপিং তার বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, দুই দেশ কেবল ভালো প্রতিবেশী নয়, বরং অকৃত্রিম বন্ধু এবং বিশ্বস্ত অংশীদার; দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। শি উল্লেখ করেন, ঢাকা ও বেইজিংয়ের এই সুসম্পর্ক বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি আদর্শ মডেল তুলে ধরেছে।

রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বার্তায় ব্যক্তিগতভাবে এবং চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে উচ্চ অগ্রাধিক্য দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি দুপক্ষের রাজনৈতিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংও একই দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়ে দুই দেশের উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। ওয়াং ইর অভিনন্দন বার্তার কথাগুলোতেও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক অগ্রগতির প্রতি ইতিবাচক প্রতিফলন পাওয়া গেছে।

বেইজিং এই বার্তাগুলোতে আশা করেছে যে ভবিষ্যতে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও টেকসই ও শক্তিশালী হবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন স্বাধীনতা দিবসে শীর্ষ চীনা নেতাদের এই উচ্চপর্যায়ের অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের মধ্যকার গভীর কূটনৈতিক সম্পৃক্ততারই প্রতিফলন।